শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

ভারতের ‘পদ্ম পুরস্কার’ পেলেন আরো চার বাংলাদেশি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দেশটির রাষ্ট্রপতি শ্রী রামনাথ কোবিন্দ ৮ ও ৯ নভেম্বর নাগরিক সম্মাননা অনুষ্ঠানে চার বাংলাদেশিকে পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত করেন।

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় এ তথ্য জানায়।

জনকল্যাণে অবদান রাখার জন্য ‘পদ্মভূষণ’ পেয়েছেন সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (মরণোত্তর)। একই বিভাগে ‘পদ্মশ্রী’ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (অব.)। এ ছাড়া প্রত্নতত্ত্বে অধ্যাপক এনামুল হক ও শিল্পকলায় অবদান রাখার জন্য ‘পদ্মশ্রী’ পেয়েছেন সনজীদা খাতুন।

পদ্মভূষণপ্রাপ্ত প্রয়াত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার প্রসঙ্গে হাইকমিশন বলছে, দুই দেশের মধ্যে বৃহত্তর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। সৈয়দ মোয়াজ্জেম বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা এবং স্থল যোগাযোগ শুরু করার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন।

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ বিষয়ক স্বাধীন গবেষক ও লেখক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (অব.) বীর প্রতীক বাংলাদেশ সরকারের ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ পুরস্কার প্রকল্পের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য গঠিত হয়েছিল।

সনজীদা খাতুন সম্পর্কে বলা হয়, তিনি বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা ও ষাটের দশকের শুরুতে বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি নিবেদিত ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা। তার তত্ত্বাবধানে ছায়ানট একটি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, শাস্ত্রীয় সংগীত ও নৃত্যকলার প্রসারে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছে।

এনটি