বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার

সিলেটের গোয়াইনঘাটে আমন ধান কাটায় বিপত্তি ঘটাল বৃষ্টি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা
গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি>

সিলেট গোয়াইনঘাটে আমন ধানের ফলন ভালো হয়েছে। ধান কাটায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কৃষক। তবে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে বৃষ্টি হওয়ায় বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমনের মাঠ ঘুরে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাটা যাচ্ছে না  জমির পাকা ধান। হালকা বৃষ্টি দমকা বাতাসে ঠান্ডার কারণে কোনো শ্রমিক মাঠে কাজ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। এমনকি গবাদিপশুর খাদ্য অনেকটা পচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কৃষক আনছার আলি বলেন, ‘হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায় মাঠের কাটা ধানগুলো খোলা রয়ে গেছে। এখন বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করার মতো শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না। সবই আল্লাহর ইচ্ছা, অপেক্ষা ছাড়া কিছু করার নাই।

কৃষক সোহরাব বলেন, বৃষ্টি আরো দুই দিন থাকলে ধানের ক্ষতি হবে। এই ধান থেকে পরে বীজ করাও সম্ভব হবে না। ধান কলো হয়ে যাবে এবং ভাতও খাওয়া যাবে না।

কৃষক মুশাহিদ আলি বলেন, এ বছর ফসলে বন্যা ও খরা হওয়াতে খরচ পরিমাণে বেশি হয়েছে। মাঝামাঝির দিকে খরায় ক্ষতি করলেও শেষমেষ ধান কাটতে পারছি এটাই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।

গোয়াইনঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুলতান আলী বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই আমন ধান কাটা-মাড়াই চলছে। এ পর্যন্ত ৬০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। এ অঞ্চলের কৃষকরা ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যায় আমন ফসলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে, বেশিরভাগ জায়গায় ভালো ফলন হয়েছে। শতভাগ ধান কাটা হয়ে গেলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কতটা হবে তা বলা যাবে। ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকরা এবার অনেক খুশি। ধানের দামও ভালো আছে।

শ্রমিক পেতে কোন সমস্যা হলে উপজেলায় ধান কাটার মেশিন আছে, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুলতান আলী ধান কাটার মেশিন নিতে আগ্রহীদেরকে উপজেলা কৃষি বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

গোয়াইনঘাট উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এই বছর আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৫ হাজার হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে ১৬ হাজার হেক্টর আবাদ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। বন্যায় তা অনেকটা বাধাগ্রস্থ হয়েছে। নয় হাজার হেক্টর আমন ফসলি জমি আবাদ হয়েছিল। আট হাজার হেক্টর রূপায়িত আমন ফসল পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। তবুও ফলন পেয়ে কৃষক অনেকটা খুশি। তবে হঠাৎ বৃষ্টিতে ধান সংগ্রহ নিয়ে সংঙ্কায় আছেন তারা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ