রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

ভারতে হিজাব নিষেধাজ্ঞা: কোন পথে হাঁটছেন প্রধান বিচারপতি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের কর্ণাটকে হিজাব ইস্যুতে তোলপাড় পুরো ভারত। বিতর্কের জেরে বেঙ্গালুরুতে দুই সপ্তাহ বিক্ষোভ সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব স্কুল-কলেজ তিন দিন বন্ধ ঘোষণা করেছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসাভারাজ বোম্মাই।

গত এক মাসের বেশি সময় ধরে কর্ণাটকের বিভিন্ন স্কুল কলেজে হিজাব পরে ক্লাস করার অনুমতির দাবিতে আন্দোলন করছে মুসলিম ছাত্রীরা।

ব্যাপারটি নিয়ে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য। হিজাব পরে কয়েকজন ছাত্রীকে স্কুলে ঢুকতে না দেওয়া নিয়ে প্রথমে এ ইস্যু সৃষ্টি হয়।

ক্লাসে ছাত্রী হিজাব পরতে পারবে কী না, তার সমাধানে কর্ণাটক হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করেন কর্ণাটক সরকারি কলেজের পাঁচ ছাত্রী।

কিন্তু হাইকোর্টও এ ব্যাপারে কোনো সমাধানে আসতে পারেননি। তাই সমাধানের ভার চলে যায় প্রধান বিচারপতির হাতেই।

এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা। ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে এই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। কর্ণাটকের উডুপি জেলার কুন্দাপুরার সরকারি পিইউ কলেজের ছাত্রী ফতিমা বুশরা সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করে জানান, হিজাবে নিষেধাজ্ঞার কারণে তার মৌলিক অধিকার খর্ব হচ্ছে।

ওই পিটিশিনের দ্রুত শুনানির আর্জি করেন প্রবীণ আইনজীবী ও কংগ্রেসে নেতা কপিল সিব্বল। তবে সুপ্রিম কোর্টও ওই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

তিনি ভারতের প্রধান বিচারপতি এনভি রমনার সামনে এ নিয়ে একটি জরুরি আর্জি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, কর্ণাটকে যা ঘটছে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

রমনা আরও বলেন, অপেক্ষা করুন। হাইকোর্টকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। আপনি কী চান বিষয়টি স্থানান্তর করা হোক? তখন সিবাল পরামর্শ দিয়েছিলেন যে বিষয়টি তালিকাভুক্ত করা হবে এবং আপাতত এটিতে কোনো আদেশ দেওয়া হবে না। তখন আদালত জানান, এখন সমস্যা হলো যদি আমরা বিষয়টি তালিকাভুক্ত করি, তাহলে হাইকোর্ট কখনোই শুনবে না। এক বা দুই দিন অপেক্ষা করুন। তিন বিচারপতির বেঞ্চ এটা শুনবে।

এর পরেই সিবাল আর্জি জানান, আর দুই মাস পরই পরীক্ষা। তার আগে এসব চললে সমস্যায় পড়বে শিক্ষার্থীরা। তাই সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত মামলাটি শুনলে উপকৃত হবেন।

প্রধান বিচারপতি জানান, এত আগে এই মামলা আমাদের শোনা উচিত নয়। আগে দেখা যাক, হাইকোর্ট অন্তর্বর্তী রায় দেয় কি না। আমরা তার আগে মামলা শুনলে হাইকোর্ট আর শুনবে না।

এরপর সিব্বল অনুরোধ করেন, হাইকোর্ট কোনো রায় না দিলে সুপ্রিম কোর্ট যেন নিজে থেকেই মামলাটি গ্রহণ করে। রামানা বলেন, আমরা বিষয়টি দেখব।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ