বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মিশরে পর্যটকবাহী বাসে ট্রাকের ধাক্কা: নিহত ১৩, আহত ৩৪ যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিয়ে ইসলামী যুব আন্দোলনের বৈঠক ২১ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি মোল্লাহাটে বিকেএমে যোগ দিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১০ জনপ্রতিনিধি জাপানে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সহজ করতে সমঝোতা ধর্মমন্ত্রীর হাতে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইজতেমার দাওয়াতপত্র হস্তান্তর মসজিদে হারামের ইমাম শায়খ বান্দার বালিলাহর পদোন্নতি ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্ত্রী বদদীন হলে, পুরো ঘরে বদদীনি ছড়িয়ে পড়ে!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের ।। হযরত কারী সিদ্দীক আহমাদ বান্দাবী রাহিমাহুল্লাহু তাআলা বলেন, একজন কর আদায়কারী অনেক দীনদার ছিলেন। তিনি কখনো ঘুষ গ্রহণ করতেন না। ঘটনাক্রমে তাঁর চাপরাশীর এখানে বিয়ের অনুষ্ঠান। চাপরাশী বেচারা দীনদার লোকের বিবিকে উক্ত অনুষ্ঠানে পাঠানোর জন্যে কাকুতি-মিনতি শুরু করলো।

বলতে লাগলো যে, জনাব! আপনার বিবি আমার অনুষ্ঠানে গেলে আমার সম্মান বাড়বে। মানুষ দেখবে, আমার বসের স্ত্রী আমার অনুষ্ঠানে যোগদান করেছে। কিন্তু কর আদায়কারী দীনদার লোক তাঁর স্ত্রীকে কোথাও বাইরে যেতে দিতেন না। তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল, সাদাসিধে জীবন-যাপন করতেন। কাপড়ও অতি সাধারণ পরিধান করতেন।

অবশেষে মনের অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও চাপরাশী লোকের পীড়াপীড়িতে তিনি স্ত্রীকে উক্ত অনুষ্ঠানে পাঠাতে বাধ্য হলেন। স্ত্রী অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর দেখতে পেলেন, একেকজন মহিলা একেক রকম নীল, হলুদ, বিভিন্ন কালারের কাপড়, ও বিভিন্ন রকমের অলংকার পরিধান করে অনুষ্ঠানে যোগদান করতেছে। অন্যদিকে কর আদায়কারী দীনদার লোকের স্ত্রীর কাপড় ছিলো একদম সাদাসিধে। অন্যান্য মহিলাদের সাজগোজ দেখে ঐ মহিলা লজ্জিত হয়ে যায়। অনুষ্ঠান থেকে ফিরে এসে নিজের স্বামীর উপর চটে বসে।

রাগে বলতে থাকে, আপনি আমাকে উক্ত অনুষ্ঠানে পাঠিয়ে ছোট করেছেন। আমাকে অপমান করেছেন। সেখানে গিয়ে তো দেখলাম, আপনার চাপরাশী, তার চেয়ে আরো নিম্ন শ্রেণীর লোকজনের স্ত্রীরাও দামি দামি কাপড় ও বিভিন্ন রকমের অলংকার পরিধান করে এসেছে। কর আদায়কারী দীনদার লোক স্ত্রীকে বুঝাতে চেষ্টা করলো যে, আমি যা বেতন পাই, তা দিয়ে কোন রকমে সংসার চলে। এর চেয়ে বেশি কিছু করা সম্ভব হয় না।

এই কথা শুনে স্ত্রী বললো, কেনো? তাদের বেতন তো আপনার থেকেও কম। তারা আপনার অধীনে চাকুরি করে। তারা যদি বেতন দিয়ে এসব করতে পারে, তাহলে আপনি করতে পারেন না কেনো? স্ত্রীর কথা শুনে স্বামী বললো, তারা তো ঘুষ খায়। হারাম খায়। তখন স্ত্রী বললো, তাহলে এইসব করার পথ কী আপনার জন্যে বন্ধ নাকি?

আপনি কেনো এগুলো গ্রহণ করেন না? আপনি কী সাধু হয়ে গেছেন নাকি? কর আদায়কারী দীনদার ছিলেন কথাটি ঠিক, তবে পাকাপোক্ত দীনদার তো ছিলেন না। স্ত্রী এমন পিছু নিয়েছে যে, অবশেষে তার দীনদার স্বামীকে ঘুষ গ্রহণ করতে বাধ্যই করেছে। অবশেষে স্ত্রীর কাছে পরাজয় হয়ে কর আদায়কারী দীনদার মহৎ মানুষটিও ঘুষ গ্রহণ করতে শুরু করেছে। এই জন্যেই হাদিস শরীফে এসেছে, মহিলারা এমনই চতুর হয়ে থাকে। তারা জ্ঞানী ও সচেতন ব্যক্তিদের জ্ঞান ও সচেতনার উপর বিজয়ী হতে পà