আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: অনলাইনে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহের ওয়েবসাইট আপডেট হতে দেড় বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সহজ ডট কম এর পাবলিক রিলেশন্স ম্যানেজার ফারহাত আহমেদ।
আজ শনিবার (২৬ মার্চ) থেকে রেলের টিকিট বিক্রি শুরু করে সহজ। কিন্ত সকাল থেকে দেখা গেছে মানুষের চরম ভোগান্তি। সকাল আটটায় টিকিট বিক্রি শুরু হলেও আগে থেকেই উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
পূর্বে রেলের অনলাইন টিকিট বিক্রির যতগুলো পদ্ধতি ছিল তার সব কিছু বাতিল করে নতুন করে eticket.railway.gov.bdb নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে সহজ ডট কম। আজ থেকে অনলাইনে এই ওয়েবসাইটে টিকিট বিক্রির কথা থাকলেও সকাল থেকে অধিকাংশ টিকিট প্রত্যাশিই প্রবেশ করতে পারেননি সেখানে।
বেশিরভাগ যাত্রীরই অভিযোগ, নতুন ওয়েবসাইট ওপেন করাই যাচ্ছে না। অনেক কষ্টে যারা প্রবেশ করতে পেরেছেন তাদেরকে পড়তে হয়েছে নানা ভোগান্তিতে। তবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অনলাইনে টিকিট বিক্রির হার ছিল খুবই কম। মোট টিকিটের ৫০ শতাংশ কাউন্টার আর ৫০ শতাংশ অনলাইনে বিক্রির কথা থাকলেও খোদ সহজ কর্মকর্তারাই বলছেন শুরুর দিনে অনলাইনে প্রত্যাশিত সংখ্যক বিক্রি করতে পারবেন না তারা। কেননা সকাল থেকে অনলাইনে টিকিট বিক্রির হার পূর্বের তুলনায় অনেক কম।
অনলাইনে টিকিট না পেয়ে কাউন্টারে ভিড় করেন যাত্রীরা। ফলে কাউন্টারের সামনে যেন ঈদের সময়ের মত টিকিট প্রত্যাশিদের উপচেপড়া ভিড় ছিল সারাদিনই। তবে কাউন্টারেও ছিল যাত্রীদের ভোগন্তি। নতুন সফটওয়্যার ঠিকমত কাজ না করায়, টিকিট পেতে ভোগান্তিতে পড়েতে হয়েছে যাত্রীদের। সার্ভার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের। মাঝে মধ্যেই হ্যাঙ হয়ে বন্ধ যাচ্ছে নতুন পদ্ধতির সফটওয়্যার। দীর্ঘ ভোগান্তির পর টিকিট হাতে পেলেও নানা বিড়ম্বনায় পড়েন যাত্রীরা। যাত্রার তারিখ, ট্রেন ছাড়ার সময় এমনকি ভাড়াতেও ভুলে ভরা টিকিট। এক ট্রেনের নামে অন্য ট্রেনের টিকিট, শোভন চেয়ারের নামে এসি সিটের ভাড়াও অনেকের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে।
কমলাপুর রেলস্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার জানিয়েছেন, নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সময় লাগবে বেশ কয়েকদিন। টিকিট বুকিং সহকারিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে নতুন পদ্ধতিতে কাউন্টারে টিকিট বিক্রি অল্প সময়ের মধ্যেই প্রত্যাশিত অবস্থায় ফিরবে বলে আশা তার। কাউন্টারে টিকিট বিক্রির ব্যাà¦