রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

করোনা টিকার ৯০ ডোজ একাই নিলেন ৬০ বছরের বৃদ্ধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নাগরিকদের ভ্যাকসিন দিতে বিশ্বজুড়ে সরকারগুলোকে নানা প্রচারণা চালাতে হচ্ছে। তারপরেও জনসংখ্যার একটি বড় অংশ কোভিড ভ্যাকসিন নিতে চাচ্ছে না। সেখানে জার্মানির এক ব্যাক্তি ৯০ ডোজ কোভিড ভ্যাকসিন নিয়েছেন! না, কোনো শখ থেকেই তিনি ভ্যাকসিন নেননি।

তিনি এর মাধ্যমে অবৈধভাবে আয়ের চেষ্টা করেছেন। যারা ভ্যাকসিন নিতে চান না, আবার ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট ছাড়া চলাফেরাও করতে পারছেন না, তারাই দ্বারস্থ হয়েছেন ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যাক্তির। তিনি নিজে ভ্যাকসিন নিয়ে অন্যের কাছে সেই কার্ড বিক্রি করতেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, পুলিশ এই অভিনব অপরাধীকে আটক করেছে। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। এ খবর দিয়েছে গার্ডিয়ান।

জানা গেছে, তিনি জার্মানির স্যাক্সোনি অঞ্চলের মাগডেবুর্গ শহরের বাসিন্দা। পুলিশের হাতে আটক হওয়ার আগে গত কয়েক মাসে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন টিকাকেন্দ্র থেকে তিনি করোনার ৯০টির বেশি ডোজ টিকা নিয়েছেন। স্যাক্সোনির একটি কেন্দ্রে পরপর দুদিন টিকা নিতে যাওয়ায় ধরা পড়ে যান তিনি। অভিযুক্ত ব্যক্তি একের পর এক কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন নিয়ে ভ্যাকসিন উৎপাদনের আসল ব্যাচ নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে সেসব নম্বর করোনা ভ্যাকসিনের ভুয়া সনদ তৈরিতে ব্যবহার করেছেন। এরপর ওই অঞ্চলের যেসব বাসিন্দা ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহী নন, তাদের কাছে তিনি সেসব সনদ উচ্চমূল্যে বিক্রি করেছেন।

এরইমধ্যে ঘটনাটি নিয়ে এখন তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তিনি কীভাবে এত বেশি ডোজ ভ্যাকসিন নিতে পারলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ৯০–এর বেশি ডোজ ভ্যাকসিন নেয়ার পর ওই ব্যক্তির শরীরে কেমন প্রতিক্রিয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে কিছু জানায়নি জার্মান কর্তৃপক্ষ। তার বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন কার্ড বিক্রি ও নথি জালিয়াতির ভিন্ন দুটি অভিযোগ আনতে যাচ্ছে পুলিশ।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ