আবদুল্লাহ তামিম বর্তমান পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য। সাবেক মন্ত্রী ও ২০০৪ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত বিরোধীদলীয় নেতা জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান।
আজ শনিবার তিনি ওমরা করার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান ছেড়েছেন। মাওলানা ফজলুর রহমানের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
মাওলানা ফজলুর রহমান একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ যিনি জমিয়ত উলামায়ে ইসলামের বর্তমান সভাপতি। ১৯৮৮ সাল থেকে বর্তমান পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য। সাবেক মন্ত্রী ও ২০০৪ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন।
জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
মাওলানা মুফতী ফজলুর রহমান ২১ জুন ১৯৫৩ সালে ঈদুল আজহার দিন শুক্রবার ডেরা ইসমাঈল খান জেলার আব্দুল খয়েল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুফতি মাহমুদ ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে একজন সদস্য এবং জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের অন্যতম একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী ইসলামিক পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি এবং তার পরিবার দেওবন্দী আন্দোলনের অংশ।
শিক্ষা জীবন
মুফতী ফজলুর রহমান মুলতানে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে মেট্রিক পাস করেন ১৯৭৩ সালে। এরপর দারুল উলুম হক্কানিয়া আকুড়াখট মাদরাসা থেকে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি ইসলামিয়তে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কায়রোতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক ও কর্মজীবন
মাওলানা মুফতী ফজলুর রহমান পিতার হাত ধরেই রাজনীতিতে আগমন করেন। ৯ নভেম্বর ১৯৭৯ সালে করাচির খালিকে দুনিয়া হলে প্রথম রাজনৈতিক বক্তব্যে তৎকালিন সেনাশাসক জেনারেল জিয়াউল হকের রাষ্ট্রপ্রধান পদকে চ্যালেঞ্জ করেন। ১৯৮১ সালে তিনি যখন জেনারেল জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলে কারাবন্দি হন এবং ঐ বছরই জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব নির্বাচিত হন।[১০][১১]
জামিয়াত ওলামায়ে ইসলাম ইসলাম ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ফজলের নেতৃত্বাধীন মূল দল জামিয়াত ওলামায়ে ইসলামের সাথে দুটি দলে বিভক্ত হয়।
১৯৮৮ সালের পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে পাকিস্তান গণপরিষদ সদস্য হিসাবে প্রথমবারের মতো ডিআইখান আসন থেকে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৯৯০ সালে পাকিস্তাà¦