সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ৮০ শতাংশে ফিরেছে: যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশ নিতে কোনো বাধা নেই ফজরের পর ঝাড়ু দেওয়া এখন আর দেখা যায় না: প্রধানমন্ত্রী কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন: প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের বিষয়ে আইনমন্ত্রী ‘দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার ঋণগ্রস্ত, অর্থনীতির সাফল্যের দাবি অর্থহীন’ ঐতিহাসিক ‘ইএসডিপি-এমওসি’ চুক্তি সই, ১ এপ্রিল থেকে কর্মী নেবে জাপান ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে শহীদ মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদ বিশ্ববাসীকে ফিলিস্তিনিদের কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বান পেপ গার্দিওলার ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি

‘৮ বছরে জার্মানিতে ৮০০-এর বেশি মসজিদে হামলা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মোট আট বছরে জার্মানিতে ৮০০-এর বেশি মসজিদে হামলা হয়েছে বলে জানিয়ে একটি মানবাধিকার সংগঠন। ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল নামের এ মানবাধিকার সংগঠনটি জানিয়েছে, ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মসজিদ আক্রমণে জড়িত এমন জঘণ্য অপরাধগুলোর বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ মানবাধিকার সংগঠনটি জার্মানিতে প্রথম এমন একটি রিপোর্টিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন মসজিদে হামলার বিষয়ে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এ রিপোর্টিং সেন্টারের তথ্যানুসারে, ‘২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে ৮৪০টি মসজিদে হামলা হয়েছে। এমনকি ভাঙচুর এবং মসজিদ ধ্বংসের হুমকিও দেয়া হয়েছে।

২০১৮ সালে এসব অপরাধের বিশদ বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, বেশিরভাগ হামলায় অপরাধীরা অজ্ঞাত রয়ে গেছে। এটা নব্য-নাৎসি বা বামপন্থী উগ্রপন্থীদেরকে মুসলিম উপাসনালয়গুলোর বিরুদ্ধে আরও আক্রমণ চালানোর জন্য উত্সাহিত করেছে।

২০১৮ সালে মসজিদের বিরুদ্ধে রেকর্ড করা ১২০ হামলার মধ্যে শুধুমাত্র ৯টি ক্ষেত্রেই অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা চরম উদ্বেগের কারণ বলে জানিয়েছে ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল। এ সংস্থাটির রিপোর্টিং সেন্টার ব্র্যান্ডেইলিগ জানিয়েছে, কমপক্ষে ২০টি উগ্রবাদী আক্রমণের লক্ষ্য ছিলো মুসল্লিদের মৃত্যু বা বড় শারীরিক ক্ষতি করা। এসব হামলার ঘটনার মধ্যে আছে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করা।

তারা আরো জানিয়েছেন, এসব হামলার পরে সাধারণত পুলিশ অফিসাররা খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। তবুও, আজ অবধি প্রায় কোনো ঘটনারই সমাধান করা যায়নি।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

এনটি