শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাজীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ আগামীকাল বায়তুল মোকাররমে জুমা-পূর্ব আলোচনা করবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী বন্যাদুর্গতদের জন্য জুলাইয়ে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় বন্ধের উদ্যোগ হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

১৯৯৫ সালের পর চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড বৃষ্টি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে ১৯৯৫ সালের পর এবারই রেকর্ড পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়েছে।

চেরাপুঞ্জিতে শুক্রবার (১৭ জুন) সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।

আইএমডির তথ্য বলছে, বিশ্বের অন্যতম আর্দ্র স্থান, চেরাপুঞ্জিতে ৯ বারের মধ্যে জুনে দৈনিক ৮০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।

গোয়াহাটির আবহাওয়াবিষয়ক আঞ্চলিক কর্মকর্তা সুমিত দাশ বলেছেন, চলতি মাসে শুক্রবার পর্যন্ত চেরাপুঞ্জিতে চার হাজার ৮১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব খাসি পাহাড়ে অবস্থিত শহরটিতে রেকর্ড পরিমাণে ৮১১ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

১৯৯৫ সালের ১৬ জুন, ১ হাজার ৫৬৩ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় শহরটিতে। এর একদিন আগে ১৫ জুন ৯৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় সেখানে। সুমিত দাস বলেন, ‘বছরে দুই একবার দিনে ৫০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হওয়া চেরাপুঞ্জির কাছে অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু এ ভাবে পর পর ৮০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টি, সত্যিই অস্বাভাবিক।’

সামগ্রিকভাবে ভারতের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলে ২২০ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ১ জুন থেকে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি।

মেঘালয়ে ১ জুন থেকে ৮৬৫ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১৫৩ শতাংশ বেশি। অরুণাচল প্রদেশে ২৫৩ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, স্বাভাবিকের চেয়ে ২২ শতাংশ বেশি, যেখানে আসামে ৩৭২ দশমিক ৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ৭৯ শতাংশ বেশি।

আগামী দুই একদিন এমন আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।

তবে, এই অঞ্চলের সব রাজ্যে একই রকম আবহাওয়া পরিস্থিতি দেখা যায়নি। মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরায় ৫০ শতাংশ, ৪৬ শতাংশ ও ৩৮ শতাংশ বৃষ্টিপাতের ঘাটতি হয়েছে এখনো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ