সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদিতে শহীদ মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদ বিশ্ববাসীকে ফিলিস্তিনিদের কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বান পেপ গার্দিওলার ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি দুপুরে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এবারও শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে মাসিক নকীব, লেখা আহ্বান রাহাতের মুফতি হওয়ার স্বপ্নের পাশে গাজীপুর জেলা পরিষদ সুন্দর দেশ গড়তে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের চলে যাওয়ার ৫২ বছর আজ উত্তর প্রদেশে মুসলিম সাংবাদিককে পিটিয়ে হত্যা শাহজালালে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে ১৮ হাজারের বেশি যাত্রী 

একজন মুহাম্মদ রাজের মানবিক হয়ে ওঠার গল্প!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।। পেরিয়েছে কাল মহাকাল। মানুষ ছুটছে অর্থবৈভব আর খ্যাতির পেছনে। তবে নশ্বর এ দুনিয়ায় ব্যতিক্রমও রয়েছেন অনেকে। জাগতিক মোহ ত্যাগ করে কিছু মানুষ বেছে নেন আর্তমানবতার সেবা। পরম সুখ খুঁজে পান সৃষ্টির সেবায়। নববী আদর্শ বিলিয়ে দেন পীড়িত আর বঞ্চিতদের মাঝে।

এভাবে বিষাদগ্রস্তদের মুখে হাসি ফুটিয়ে যারা হৃদয়ে যোগায় প্রভূপ্রেম তাদেরই একজন মুহাম্মদ রাজ। ‘জান্নাতের খোঁজে’ প্রজেক্টের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই তিনি হাজারো অসহায়ের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন।

বেওয়ারিশ লাশের কথা আমরা প্রায় সময়ই শুনে থাকি। বেওয়ারিশ রোগির কথা শুনেছি ক’জন? হাসপাতাল, ক্লিনিক, পথঘাট কিংবা বিভিন্ন জায়গায় দেখা মেলে বেওয়ারিশ রোগিদের। অর্থাৎ যাদের নেই কোনো আত্মীয়স্বজন, সন্তানসন্তুতি অথবা থেকেও নেই। এসব রোগী খুঁজে খুঁজে বের করেন মুহাম্মদ রাজ। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন প্রাণ খুলে।

মুহাম্মদ রাজ বলেন, একসময় ছিলাম ভিন্নধর্মালম্বী। আল্লাহর অপার দয়ায় সুযোগ হয়েছে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নেবার। মানুষের জন্য কিছু করার। তাই ইচ্ছে করেছি ক্ষুদ্র এ জীবন জান্নাতের খোঁজে মানবসেবায় কাটিয়ে দিবো। বেওয়ারিশ রোগী নিয়ে কাজ করাই আমার নেশা।

২০২০ সালে শুরু হয় ‘জান্নাতের খোঁজে’র পথযাত্রা। সমাজের সত্যিকারের অসহায়, ভিক্ষুক ও ভাসমান পীড়িত মানুষ খুঁজে তাদের নিয়মিত ওষুধ কিনে দেয়া শুরু করেন মুহাম্মদ রাজ। বলা যায়, তার সংগঠন হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ’র ব্যতিক্রমী এক সফল উদ্যোগ এটি। এ প্রজেক্টের আওতায় গত এক বছরে অসহায় মানুষের চিকিৎসা বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় দশ লাখ টাকা। যার পুরোটাই রাজের একক প্রচেষ্টা ও কর্মতৎপরতায় গড়ে তোলা ফান্ড থেকে।

ঢাকার বাড্ডার ক্যান্সারের রোগি আব্দুল্লাহ’র চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার, মাদরাসা পড়ুয়া ছোট্ট তালহা’র হার্ট অপারেশন, সিলেটের জৈন্তাপুরের ক্যান্সারাক্রান্ত ৮ মাস বয়সী শিশুর ১৪ টি কেমো সম্পন্ন করণ ও পরবর্তী চিকিৎসা, মাদরাসা পড়ুয়া ফারিহার ফুসফুসের অপারেশন, একজন অসহায় দারোয়ানের স্ত্রীর চিকিৎসার পূর্ণাঙ্গ সহায়তা, এক আলেমা বোনের চিকিৎসা সহায়তা, টিবিসহ নানা জটিল রোগাক্রান্ত এক ছাত্রীর চিকিৎসা সহায়তা, চাকরীহারা এক ভাইয়ের স্ত্রীর গাইনি অপারেশন, এক অসহায় আলেমের হার্ট ফুটো হয়ে যাওয়া দুধের শিশুর সম্পূর্ণ চিকিৎসা খরচ প্রদানসহ ব্যয়বহুল কিছু কাজ করে ‘জান্নাতের খোঁজে’। এছাড়াও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণসহ বেশকিছু জরুরি কাজও আঞ্জাম দিচ্ছে এ প্রজেক্ট।

সম্প্রতি কুষ্টিয়ার à¦