আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আরাফাতের দিন বা আরাফার দিন ইসলামের একটি পবিত্র দিন। যেটি এই ধর্মের পরিপূর্ণতা লাভের দিবস হিসেবে পরিচিত।
এই দিনটি ইসলামিক চন্দ্র পঞ্জিকা অনুসারে জিলহজ মাসের ৯ তারিখে সংগঠিত হয়, যা রমজান মাস শেষ হওয়ার প্রায় ৭০ দিন পর ঘটে। এই দিনটের শেষ ভাগে, মুসলিম হজ্জ্ব যাত্রীরা মিনা থেকে যাত্রা করে নিকটবর্তী পাহাড়ের সন্নিকটবর্তী-সমভূমি আরাফাতের ভূমিতে এসে উপস্থিত হন। এই দিকটিতেই মুহাম্মদ তার জীবনের শেষ বছর বিদায় ভাষন দিয়েছিলেন।
এই কথা বলা হয়ে থাকে যে, একজন বিশ্বাসী যদি এই দিন রোজা রাখে তবে তার পূর্বের বছরের এবং পরবর্তী বছরের পাপ হতে মুক্তি পায়। আজ দুইটি আমল সম্পর্কে আলোচনা করবো।
এক. আরাফার দিনে রোজা রাখা। আমাদের দেশের কেউ কেউ সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে আরাফার রোজা রাখার কথা বলেন ৷ তা সঠিক নয়।
দুই. আরাফার দিনের আরো একটি বিশেষ আমল হলো, আরাফার দিনের ফজরের নামাজ থেকে তাকবিরে তাশরিক পড়া।
রাসুল সা. তাকবিরে তাশরিক পড়তেন ৷ হজরত আলী রাযি. বর্ণনা করেন
أَنَّهُ كَانَ يُكَبِّرُ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ عَرَفَةَ، إِلَى صَلَاةِ الْعَصْرِ مِنْ آخِرِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ» অর্থাৎ রাসুল সা. আরাফার দিনের ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে তাকবিরে তাশরিকের শেষ দিনের আসর পর্যন্ত তাকবির পড়তেন৷ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা: ৫৬৩২)
এ ব্যাপারে আরও বহু হাদিস রয়েছে৷ কথা হলো, যারা সোদির সাথে মিলিয়ে আরাফার রোজা রাখার কথা বলেন, তারা কিন্তু সৌদির সাথে মিলিয়ে আরাফার দিন হিসেবে তাকবিরে তাশরিক শুরু করেন না!
তাকবিরে তাশরিকের ক্ষেত্রে আরাফার দিন বাংলাদেশের নয় তারিখ, রোজার ক্ষেত্রে আরাফা বাংলাদেশের আট তারিখ! ম*ন*গ*ড়া ইজতেহাদ ত্যাগ করে বাংলাদেশের নয় তারিখ রোজা রাখুন৷
-এটি