বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা আজ কালশি বস্তির অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বিকেএম নেতৃবৃন্দ দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে খেলাফত মজলিসের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কুরবানি: গ্রামীণ অর্থনীতির মৌসুমি প্রাণশক্তি ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে গেল দাখিল মাদ্রাসার টিনের চাল

বাগেরহাটে ঠাণ্ডাজনিত রোগে হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাগেরহাটে শিশুদের বেশিরভাগই ঠাণ্ডাজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে ২৩৫ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে জেলা হাসপাতালে। জেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে জ্বর, সর্দি, কাশি আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে জেলা হাসপাতালে আসছেন অভিভাবকরা। এতে অতিরিক্ত চাপে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় ৯০০ থেকে এক হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন বহিঃর্বিভাগে। শয্যা সংকট দেখা দেওয়ায় হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী।

গত এক সপ্তাহে প্রায় ২৩৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। বুধবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে দেখা যায় ১০০ শয্যার বিপরীতে ৩৬ জন শিশুসহ মোট ২৫০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিশু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক বলেন, কয়েকদিন ধরে বাচ্চার জ্বর, সর্দি ও কাশি। এখানে ভর্তি হলে ডাক্তাররা এক্স-রে করতে বলেছে। এক্স-রেতে দেখা গেছে ছেলের বুকে কাশি জমে শুকিয়ে গেছে। সুস্থ হতে সময় লাগবে।

শুধু বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল নয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোরও একই অবস্থা। ঠাণ্ডাজনিত রোগের সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপও বেড়েছে জেলায়। বর্তমানে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ২২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছে। এছাড়া জেলায় মোট ১২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।

বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বরত সেবিকা সীমা আলো হালদার বলেন, নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই শিশু রোগীরা ভর্তি হচ্ছে। অনেক বেশি রোগী হওয়ায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের।

বাগেরহাট ২৫০ শয্যা রাজিয়া নাসের জেলা হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. হুসাইন সাফায়াত বলেন, আমাদের ২৫০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও জনবল রয়েছে একশ শয্যার। সীমাবদ্ধতার মধ্যেই আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ