বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


মধ্যযুগের যেসব মানচিত্র এঁকেছেন মুসলিম বিজ্ঞানীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আধুনিক এই সময়ে মানুষের হাতে আছে যোগাযোগ ও যাতায়াতের অসংখ্য মাধ্যম। মানুষ পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ভ্রমণ করতে কোনো দ্বিধা করে না। তবে ভ্রমণকারীদের অনেকেই জানে না তাদের পথচলা সহজ করতে কারা অবদান রেখে গেছেন। মুসলিম সভ্যতার শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীরা মানচিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে পৃথিবীর গতিপথ উল্টে দিয়েছিলেন।

হাজার বছর আগে যখন মানুষ ব্যবসা, গবেষণা ও ধর্মীয় কারণে বিশ্বভ্রমণ শুরু করেছিল, তখন থেকেই মানচিত্রের চাহিদা বাড়ছিল। মুসলিম বিজ্ঞানীরা বিশ্বের বেশ কিছু জনপ্রিয় মানচিত্র মুসলিম বিজ্ঞানী, ভূগোলবিদ ও সমুদ্র অভিযাত্রীরা অঙ্কন করেছিলেন। এখানে মুসলিম বিজ্ঞানীদের আঁকা জনপ্রিয় ১০টি মানচিত্রের বিবরণ তুলে ধরা হলো।

মুসলিম বিজ্ঞানীদের আঁকা মধ্যযুগের ১০ মানচিত্র

১. আল-ইদরিসির বিশ্ব মানচিত্র : আধুনিক মরক্কোতে জন্মগ্রহণকারী মুহাম্মদ আল-ইদরিসি (১০৯৯-১১৬৬) আঁকেন মুসলিম সভ্যতার বিখ্যাত এই মানচিত্র। তিনি তাঁর মানচিত্রে দক্ষিণ দিককে ওপরে রাখেন। যেমনটি তখন সাধারণত করা হতো। আল-ইদরিসি কর্ডোভাতে লেখাপড়া করেন এবং সিসিলি দ্বীপপুঞ্জের ‘দ্য নরম্যান কোর্ট অব পালার্মো’তে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৬ বছর বয়সে বিশ্বভ্রমণে বের হন এবং এশিয়া মাইনর, মরক্কো, স্পেন, দক্ষিণ ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড ভ্রমণ করেন। পশ্চিম ইউরোপের ব্যাপারে তাঁর বেশির ভাগ বর্ণনা বাস্তব অভিজ্ঞার আলোকে দেওয়া। বলকান অঞ্চলের ব্যাপারেও এ কথা সত্য। তবে ইউরোপের অন্যান্য অঞ্চল এবং উত্তর আফ্রিকা ছাড়া মুসলিম বিশ্বের অন্য অংশের ব্যাপারে তিনি অন্যদের ওপর নির্ভর করেছেন।

আল-ইদরিসি ছিলেন একজন সত্যিকার ভূগোলবিদ। তিনি ভূপৃষ্ঠের মানচিত্র অঙ্কনে নলাকার অভিক্ষেপ পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। যদিও ১৫৬৯ সালে পদ্ধতি ফ্লেসার জেরার্ড মার্কেটরের বলে দাবি করা হয়। আল-ইদরিসির মানচিত্রে আফ্রিকার নিরক্ষীয় উচ্চভূমিতে অবস্থিত নীলনদের উৎসগুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল। আধুনিক যুগের বিজ্ঞানীরা যা উনিশ শতকে আবিষ্কার করেছে।

২. পিরি রেইসের মানচিত্র : পিরি রেইস খ্রিস্টীয় ১৬ শতকের একজন সুপরিচিত উসমানীয় নৌ সেনাপতি, ভূগোলবিদ ও মানচিত্রকর। তিনি তাঁর বিখ্যাত বিশ্ব মানচিত্র ১৫১৩ সালের মধ্যে সম্পন্ন করেন। ১৯২৯ সালে এটি ইস্তাম্বুলের টোপকাপি রাজপ্রাসাদে আবিষ্কৃত হয়। এটা সর্বপ্রাচীন তুর্কি মানচিত্র, যাতে নতুন বিশ্ব তথা আমেরিকা মহাদেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আমেরিকার অস্তিত্ব আছে এমন প্রাচীন মানচিত্রগুলোর একটি। এই মানচিত্রের অর্ধেকজুড়ে ইউরোপের পশ্চিম উপকূà