মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


মু’মিন নারীর সাতটি গুণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কুরআন ও হাদিসে মু’মিন নারীর অনেক গুণের কথা আলোচিত হয়েছে। মু’মিন প্রতিটি নারীর জীবনে এ গুণগুলো থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ গুণগুলো অর্জনের মাধ্যমে একজন মু’মিন নারী পৃথিবীতে যেমন শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে পারবে তেমনি আখিরাতেও পাবে সুখময় জান্নাতের ঠিকানা। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন- ‘পুরুষ নারীদের অভিভাবক। যেহেতু আল্লাহ তাদের একের ওপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং যেহেতু পুরুষরা নিজেদের অর্থ-সম্পদ ব্যয় করে। সুতরাং সতীসাধ্বী স্ত্রীরা অনুগত হয়ে থাকে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে আল্লাহ প্রদত্ত হিফাজতে (তার অধিকারগুলো) সংরক্ষণ করে।’

১ম গুণ : একজন মু’মিন নারী হবে ‘সালিহা’ তথা সতী-সাধ্বী ও দ্বীনদার। ‘সালিহাত’ শব্দের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনে জারির তাবারি বলেন, ‘দ্বীনের সঠিক অনুসারী সৎকর্মশীল নারীরা।’ (তাফসিরে তাবারি-৬/৬৯১) এ গুণের অধিকারী নারীদেরকে রাসূলুল্লাহ সা: পৃথিবীতে সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ বলেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা: থেকে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘পৃথিবী পুরোটাই সম্পদ। আর পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো সালিহা তথা সতীসাধ্বী ও নেককার নারী।’ (মুসলিম-১৪৬৭)

২য় গুণ : একজন মু’মিন নারী হবে ‘কানেতা’ তথা আনুগত্যশীল। ‘কানেতাত’ শব্দের ব্যাখ্যায় আল্লামা কাতাদা রহ: বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা ও স্বামীর অনুগত নারীরা।’ (তাফসিরে তাবারি-৬/৬৯১)

আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত- রাসূলল্লাহ সা. কে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন নারী উত্তম? তিনি বললেন, ‘যাকে দেখলে স্বামী আনন্দবোধ করে, যাকে আদেশ করলে আনুগত্য করে এবং স্ত্রী ও সম্পদের ব্যাপারে স্বামী যা অপছন্দ করে তা থেকে বিরত থাকে।’ (আহমাদ-৯৫৮৭) স্বামীর আনুগত্যের মাধ্যমে একজন মু’মিন নারী জান্নাতেও গড়ে নিতে পারে নিজ ঠিকানা। আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়বে, রমজানের রোজা রাখবে, নিজ লজ্জাস্থান হিফাজত করবে এবং স্বামীর আনুগত্য করবে সে জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।’ (ইবনে হিব্বান-৪১৬৩)

৩য় গুণ : একজন মু’মিন নারী স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার ধন-সম্পদ ও নিজ সতীত্ব হিফাজত করবে। আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘উত্তম স্ত্রী সে যার দিকে তাকালে তোমাকে আনন্দিত করে, আদেশ করলে আনুগত্য করে, আর তুমি দূরে থাকলে সে তার নিজের ব্যাপারে এবং তোমার সম্পদের ব্যাপারে তোমার অধিকার রক্ষা করে।’ (বাযযার-৮৫৩৭) আবু উমামা রা: থেকে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘তাকওয়া অবলম্বনের পর কোনো মু’মিন পুরুষের জন্য সতী স্ত্রীর থেকে অধিক কল্যাণকর আর কিছু নেই। কেননা, স্বামী তাকে আদেশ করলে সে তা মান্য করে। স্বামী তার দিকে তাকালে সে তাকে আনন্দ দেয়। স্বামী তার সম্পর্কে কোনো কসম খেল