আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশের মতো উত্তরণের পথে অগ্রসর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারে প্রবেশাধিকার কমপক্ষে ছয় বছর বাড়ানোর পক্ষে সমর্থন কামনা করেছেন। তিনি এলডিসি ৫ জাতিসংঘ সম্মেলনের সাইডলাইনে এক অনুষ্ঠানে উন্নয়ন সহযোগীদের সামনে পাঁচ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, আমি আমাদের উন্নয়ন অংশীদারদের জন্য পাঁচটি পরামর্শ তুলে ধরতে চাই। প্রথমত বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য কমপক্ষে ছয় বছরের জন্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ; বাণিজ্যের জন্য সহায়তাসহ তাদের বাণিজ্য সুবিধা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী কাতার ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (কিউএনসিসি) আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর স্মুথ অ্যান্ড সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন: মার্চিং টুওয়ার্ডস স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।
দ্বিতীয় পরামর্শে তিনি বেসরকারি খাতে প্রণোদনার মাধ্যমে উত্তরণের পথে অগ্রসর স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে এফডিআই প্রবাহ বাড়ানো এবং পারস্পরিক কল্যাণমূলক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি হালনাগাদ করার আহ্বান জানান।
তৃতীয়ত, তিনি শিল্প সম্পর্ক উন্নত করা এবং ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য বেসরকারি খাতকে সহায়তা করার উপায় অনুসন্ধানসহ উত্তরণের পথে অগ্রসর স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে টেকসই শিল্প প্রবৃদ্ধি জোরদারের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ পরামর্শে বলেন, উদ্ভাবনী অর্থায়নের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যাতে উত্তরণ পর্বে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ঋণের খরচ সহনশীল থাকে।
পঞ্চম সুপারিশে, তিনি এলডিসি থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে কার্যকর ভৌত ও ডিজিটাল অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়নের ওপর জোর দেন; এবং মানব পুঁজি গঠন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে তাদের অব্যাহত বিনিয়োগ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি বলেন, আমাদের উত্তরণের পথে অগ্রসর হওয়ার সময়, আমরা জানি আমরা কোথায় যেতে চাই এবং কিভাবে সেখানে যেতে হবে। আমাদের সরকার বাংলাদেশকে উত্তরণের পথে অগ্রসর হওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যেতে দেবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তরণের পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য, আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বন্ধুদের কাছ থেকে নিশ্চিত সমর্থন প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিগত ৫১ বছরে বাংলাদেশের ট্র্যাক রেকর্ড প্রমাণ করে যে, দেশটি আনà