শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ।। ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৩ জিলহজ ১৪৪৭


ঝড়ে গাছ উপড়ে দুই দিন বিদ্যুৎহীন চাঁদপুরের শতাধিক গ্রাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর, হানারচর, চান্দ্রা ও বালিয়া ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামে ঝড়ে গাছ ভেঙে তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গত বুধবার (২৭ মে) মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দিনগত রাত পর্যন্ত এসব এলাকা পুরোপুরি বিদ্যুৎহীন ছিল। ফলে ঈদে বাড়ি আসা মানুষ যেমন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, তেমনই ফ্রিজ চালু না থাকায় অনেক পরিবার কোরবানির পশু জবাই পর্যন্ত করতে পারেনি।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে গণমাধ্যমের সহায়তায় এমন তথ্য পাওয়া যায়। ফটোগ্রাফিতে দেখা যায়, ঝড়ে উপড়ে পড়া বড় বড় গাছ এখনও অনেক স্থানে রাস্তা ও বসতবাড়ির ওপর পড়ে আছে।

লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের দেলোয়ার শেখ বলেন,  ‘মঙ্গলবার দিনগত রাতে ঝড়ের পর বিদ্যুৎ চলে যায়। দুই দিন পর বৃহস্পতিবার রাত ২টায় বিদ্যুৎ এলেও শুক্রবার সকালে আবার চলে গেছে। গ্রামের প্রতিটি ঘরে এখন রেফ্রিজারেটর থাকায় সবাই মাংস সংরক্ষণের ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের গ্রামে অনেকেই এবার সময়মতো কোরবানি দিতে পারেননি।’

চান্দ্রা ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামের নাজমুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘সড়কে ও বিদ্যুতের লাইনের ওপর বহু গাছ ভেঙে পড়েছে। পল্লী বিদ্যুতের কর্মীদের আগে থেকেই লাইন পরিষ্কার রাখা উচিত ছিল। তাঁদের অবহেলার কারণে উৎসবে এসে মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।’

একই এলাকার মাইনুল ইসলাম জানান, ঝড়ে পশ্চিম বালিয়া এলাকার একটি ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ায় একই পরিবারের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া মদিনা মার্কেট এলাকায় বিদ্যুতের ছেঁড়া তার আঞ্চলিক সড়কেই পড়ে ছিল।

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আতিকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘ঝড়ের পর থেকেই আমাদের কর্মীরা মাঠে কাজ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত ২টার মধ্যে মূল লাইনগুলো চালু করা হয়েছে। এরপরও কোনো নির্দিষ্ট গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকলে আমাদের জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ