বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার

 ৭ মসজিদের সবাই ঈদের নামাজ পড়বে ঈদগাহে : অভিনেতা তামিম মৃধা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও অভিনেতা তামিম মৃধা। একটা সময় গান, অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বর্তমানে ইসলাম ধর্মপালনে মনোযোগী তিনি।

নিজের পোশাক পরিচ্ছেদ থেকে শুরু করে ভাবনা-চিন্তায়, সকল ক্ষেত্রেই আমূল পরিবর্তন এনেছেন এই অভিনেতা।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিত ইসলামিক বিভিন্ন পডকাস্ট নিয়ে হাজির হচ্ছেন তামিম। যেখানে উপস্থিত থাকছেন দেশের প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার ও ব্যক্তিত্বরা।

শুধু তাই নয়, ইসলামের প্রচারে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিচ্ছেন এই তারকা। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদে নিজ গ্রামে একটি উদ্যোগ নিয়েছেন তামিম মৃধা ও তার পরিবার।

অভিনেতা তামিম জানান, এবারের ঈদে তার গ্রামের ৭টি মসজিদ আলাদা ঈদের জামাত না পড়ে একসঙ্গে সকলে ঈদগাহে ঈদের জামাত আদায় করবেন।

শনিবার  ( ১০ মার্চ ) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিষয়টি জানান তামিম মৃধা। যেখানে তিনি লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমার গ্রাম কৃষ্ণনগরের ৭টি মসজিদের প্রতিনিধি নিয়ে জুম্মার পর আলোচনা ডাকা হয়। যেখানে সবাই একমত হয়েছেন ঈদের নামাজ আলাদা ৭টি মসজিদে না পড়ে একসাথে ঈদগাহের মাঠে পড়ার জন্য।

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ঢাকা পোস্টকে তামিম বলেন, ‘ঈদের জামাত ঈদগাহে আদায় করাটা সুন্নত। আমাদের প্রিয় নবি সবসময় ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। সে জায়গা থেকেই আমাদের গ্রামে এবার সকলকে নিয়ে ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায়ের উদ্যোগটা নেওয়া।’

এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘একটা সময়ে কিন্তু সকলে ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সৌন্দর্যটা হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই, ঈদের নামাজ নিয়ে কোনো বিভাজন না থাকুক। সকলে একসঙ্গে ঈদগাহে জামাত আদায় করুক। এটাই তো আমার ধর্মের সৌন্দর্য।’

নিজের গ্রামে উদ্যোগটা কীভাবে বাস্তবায়ন করছেন, জানতে চাইলে তামিম বলেন- ‘আমাদের গ্রামে পারিবারিক অবস্থানটা খুব ভালো। সকলেই আমাদেরকে চেনেন। সে জায়গা থেকে বাবার পরামর্শে সকলকে নিয়ে গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের পরে বসেছিলাম। সেখানে ৭ মসজিদের ইমামগণ উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই ঈদের জামাত ঈদগাহে আদায়ের জন্য সম্মত হয়েছেন।’

তামিম চান, শুধু তার গ্রামেই নয় ঈদের নামাজ ঈদগাহে পড়ার এই সংস্কৃতিটা সকল গ্রামে ছড়িয়ে পড়ুক। তাহলেই মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসার বন্ধন আরও মজবুত হবে।

এনআরএন/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ