শনিবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কাতারের আমিরের শোক খুতবার প্রস্তুতিকালে মিম্বরেই ইমামের মৃত্যু বিশিষ্ট বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর মনোনয়নপত্র বাতিল গুলশান আজাদ মসজিদে মায়ের দোয়া মাহফিলে তারেক রহমান নির্বাচনে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ আল্লাহ স্বাক্ষী, ১৪ মাসে এক কাপ চায়ের টাকাও দুর্নীতি করিনি: হাসনাত ‘ইসলামী ছাত্র আন্দোলনকে সাহাবাদের চরিত্র দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে’ ৭২ বছর ইমামতি, ‘শেষ খুতবা’র পর আবেগঘন বিদায় নিলেন মাওলানা আবদুল হক শহীদ হাদির নাম এখন আর বাংলাদেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়: নৌ উপদেষ্টা মুফতি আমির হামজার আয় কত, জানা গেল হলফনামায়

নদীতে বিলীন মাদরাসা ভবন, খোলা আকাশের নিচে পাঠদান


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নোয়াখালী হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের ইসলামপুর দাখিল মাদরাসার ভবন নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় দুটি টিনশেড ঘরের বেড়া ও চাল খুলে রাখা হয়েছে রাস্তার পাশে। বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে শিশুদের পড়ালেখা করাচ্ছেন শিক্ষকেরা। 

জানা গেছে, ইসলামপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে মাদ্রাসাপ্রধান মাওলানা আব্দুল আহাদের বাড়িতে চলছে শিশুদের পাঠদান। নদীতে ভেঙে পড়ার মুখে মাদরাসার ভিটার অবশিষ্ট অংশ। দু-একদিনের মধ্যে হয়তো মাদরাসার কোনো চিহ্ন আর পাওয়া যাবে না। পাশেই আধা পাকা মসজিদটি ভাঙনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তার ওপর মাদরাসার টিনশেডের ঘরগুলো খুলে রাখা হয়েছে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে।

মাদরাসার সহকারী শিক্ষক এ টি এম আমিরুল ইসলাম জানান, ৩০০ ছাত্র-ছাত্রী ছিল এই মাদরাসায়। অনেকে ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ায় অনেকে অন্যত্র চলে গেছেন। এখনো শতাধিক শিক্ষার্থী আসেন অস্থায়ী ভিত্তিতে চলা এই পাঠদান ক্লাসে। সবাইকে জায়গা দেওয়া যায় না। দু-তিন ভাগে ভাগ করে পড়াতে হয়। রোধের মধ্যে তারা বেশি সময় থাকতে পারে না। আবার খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টি এলে সবাইকে চলে যেতে হয়। এখন আর কেউ বেতন-ভাতা দেয় না। নিজেরা মাদ্রাসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য অনাহারে-অর্ধাহারে থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

ইসলামপুর বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল খালেক জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ২০০১ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই অঞ্চলে ভালো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না। এ জন্য এখানে ছাত্র-ছাত্রীও ছিল অনেক। সবাই সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু নদীভাঙনে এখন সব শেষ। তিনি আরও জানান, গত ১০ বছরে চানন্দী ইউনিয়নের অব্যাহত ভাঙনে অর্ধশতাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখনো ভাঙন অব্যাহত আছে।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ