বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭


হঠাৎ আলোচনায়, কী ঘটেছে টঙ্গীর জামিয়া নূরিয়ায়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

রাজধানীর অদূরে টঙ্গীর পরিচিত বিদ্যাপীঠ জামিয়া নূরিয়া হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির একটি জামাতের (ক্লাস) সব ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে ফেসবুকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদরাসাটির দাওরায়ে হাদিসের ১৭ জন ছাত্রকেই বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল ব্যবহার এবং বেয়াদবির অভিযোগ রয়েছে।

মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা শফী কাসেমী নদভী এক ফেসবুক পোস্টে তুলে ধরেছেন পুরো ঘটনা। নিচে তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোর জন্য একটি ইতিহাস তৈরি হল। আমাদের জামিয়া সকল আসাতিযায়ে কেরামের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে এ বছরের দাওরার সকল ছাত্রদেরকে মোবাইল, বেয়াদবি ইত্যাদি কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি এ বছর নতুন দাওরায়ে হাদীসের দরস পেয়েছি। আবেগ আগ্রহ নিয়েই কিতাবাদী মুতালা করে সুন্দর দরস উপহার দিয়ে যাচ্ছিলাম। অপরদিকে মাদ্রাসার নতুন নাজেমে ইকামা নিয়োগ পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, পুরো মাদ্রাসার তা'লিমী হালাত অন্য বছরের তুলনায় অনেক প্রসংণীয়। হুজুররাও সন্তুষ্ট। এর মাঝে দাওরার ছাত্রদের এমনসব আচরণ মাদ্রাসার চলমান আখলাকী ও তা'লিমী উন্নতির জন্য ক্ষতিকর। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, এ সিদ্ধান্তে সকল আসাতিযা সম্পূর্ণ একমত।

জামিয়া নূরিয়ার মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান থেকে দাওরার মত গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসের সবাইকে সম্পূর্ণ বহিস্কার করে দেওয়া যদিও কঠিন। তবুও ভবিষ্যতে মহান আল্লাহ ইনশাআল্লাহ এর রহমত ও বারাকাত দিবেন। সকল উস্তাদদের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তই প্রমাণ করে এটি মাদ্রাসার জন্য খায়ের বয়ে আনবে। এবং আল্লাহ প্রতিষ্ঠান কে কবুল করেছেন।

দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলো ছাত্রদের কে আদব-আখলাক শিক্ষা দেয়। দ্বীনের বিশুদ্ধ ইলমের খেদমত দেয়। বারবার চেষ্টা করার পরও যদি কোন ছাত্র আদব আখলাক শিখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এমন ছাত্রদের দিয়ে কোন ফায়দা নেই।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ