পুলিশি শক্তির সঙ্গে রাজনৈতিক শক্তির অলিখিত সন্ধির কারণে প্রশাসনের মাঠপর্যায়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা করছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। তাই মাঠপর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি চিঠি এবং এর সঙ্গে পাঠানো এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পুলিশের বেলায় দেখা যায়, অনেকে রাজনৈতিক ও অবৈধ টাকার জোরে অতিরিক্ত এসপি থেকে পদোন্নতি পেয়ে জেলার এসপি হিসেবে পদায়ন পায়। আর এসব এসপি জেলায় পদায়ন পেয়েই ধরাকে সরা জ্ঞান করেন এবং তাদের অনেকের মূল লক্ষ্য থাকে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থেকে অর্থ উপার্জন। ফলে সাধারণ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানা রকম হয়রানির শিকার হয়।’ একইভাবে উপজেলা পর্যায়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অনেক ক্ষেত্রে পাশ কাটিয়ে যান বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
মাঠ প্রশাসনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের (এসপি) মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, মন্ত্রিপরিষদ, জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে এই চিঠি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। চিঠির সঙ্গে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মধ্যে বৈরী সম্পর্কের কারণে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে জনসাধারণের ওপর। এতে সরকারের ভাবমূর্তিও নষ্ট হচ্ছে।
প্রতিবেদনে পুলিশ ও প্রশাসনের দ্বন্দ্বের কারণে মাঠপর্যায়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির উদাহরণ, বিশ্লেষণ ও সুপারিশ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের চিঠি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকারকে চিঠি দিচ্ছে। একইভাবে জনপ্রশাসন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্টদের চিঠি পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রতিবেদনে ডিসি-এসপিদের উদ্দেশে বলা হয়, ‘বিচ্ছিন্নভাবে আমরা কেউ না, বরং প্রত্যেকেই প্রত্যেকের পরিপূরক’ এমন মানসিকতার অভাব রয়েছে ডিসি ও এসপিদের মধ্যে। তাই মাঠ প্রশাসনে বিশৃঙ্খলার à¦