আবদুল আহাদ সালমান। একজন গীতিকার, সুরকার ও ইসলামি সঙ্গীতশিল্পী। শিল্পীদের সংগঠন- বিকিরণ, সরুপ শিল্পীগোষ্ঠী, আহ্বান শিল্পীগোষ্ঠীসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনে সক্রিয় কাজ করেছেন। সর্বশেষ নিজের হাতেগড়া ‘অনুপ্রাস’-এ প্রতিষ্ঠাতা প্রধান পরিচালক হিসাবে বিরামহীন কাজ করে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন।
‘সুরের পাখি’ ও ‘লাল সবুজের পতাকা’ নামে তার একক দুটি এ্যালবাম রয়েছে। রচনা করেছেন শতাধিক ইসলামি সঙ্গীত, সুর করেছেন অসংখ্য গান। ১৯৮৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ফেনীর ধুমসাদ্দা আফতাব বিবিরহাট এলাকায় জন্ম নেয়া এই কণ্ঠশিল্পী পবিত্র শহর- মক্কা-মদিনাসহ দেশের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই কনসার্ট করেছেন। তার সুর ও সঙ্গীতে হৃদয় গলে দর্শক-শ্রোতার। আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষে তার মুখোমুখি হয়েছিলেন বিভাগীয় সম্পাদক- আমিন ইকবাল।
সুর-সঙ্গীতে প্রেরণা পেলেন কোত্থেকে?
প্রেরণার মূলে আমার পরিবার। আমার দাদা মাওলানা আবদুর রাজ্জাক ও নানা মাওলানা আবদুল মান্নান উভয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ফারেগ। বড় মাপের আলেম হওয়ার সাথে সাথে কবিও ছিলেন। আর পরদাদা মাওলানা কারী মুসলিম রহ. ছিলেন একজন বিখ্যাত ফার্সি শায়ের (কবি)। সে হিসাবে বংশীয় ধারাপাতেই আমার সুর-সঙ্গীতের প্রেরণা!
পথচলার সূচনা কিভাবে?
তখন ২০০০ সাল। ইসলামি সঙ্গীতের উপর একাডেমিক কোনো প্রশিক্ষণ নেই আমার। কিন্তু সাবেক ছাত্র আন্দোলন নেতা- ইমরান ভাই আমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। সময়ে সময়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামে নিয়ে যেতেন। আমি ছোটবেলা থেকেই কবিতা লিখতাম, আবৃত্তি করতাম। তবে গানে কণ্ঠ দেয়ার উপর একটু বেশিই আগ্রহ ছিল। তাছাড়া ইসলামি সঙ্গীত শোনা এক ধরনের নেশায় পরিণত হয়েছিল তখন। এভাবেই পথচলা শুরু।
সঙ্গীতে আপনার ‘গুরু’ কে?
আমার নির্দিষ্ট একক কোনো গুরু নেই। সবার কাছ থেকেই শেখার চেষ্টা করি। তবে সঙ্গীতজগতে বিখ্যাত- আহমদ বুখাতির, শায়খ মাশারি, মাহের জাইন ও মহসিন আল গাজীকে আমি আইডল মনে করি। তাদের সুর আমাকে বিমোহিত করে। প্রেরণা জোগায়।
মঞ্চে প্রথম কবে কোথায় গান করেছেন?
২০০৩ সালে ফেনীর ‘জহির রায়হান’ হলে ইসলামি সঙ্গীতানুষ্ঠানে শিল্পী হিসাবে প্রথম গেয়েছিলাম। সেই অনুষ্ঠানে তখনকার সময়ে দেশের খ্যাতনামা ইসলামি সঙ্গীতসম্রাট- আইনুদ্দিন à