আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ যুবায়ের : মহান আল্লাহ তায়ালা মানব জাতি সৃষ্টি করে তাদের হেদায়েতের জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবি-রাসুলদের প্রেরণ করেছেন। নবী-রাসুলগণ পৃথিবীতে এসে স্ব যুগের প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে দাওয়াত প্রচার করেছেন। মহান আল্লাহর দেওয়া বাণী মানুষের কাছে পৌঁছিয়েছেন।
মুসা আ. এর সময় জাদুর প্রভাব ছিল বেশি। মুসা আ. যুগের প্রেক্ষাপট বুঝে আল্লাহর প্রদত্ত যাদুর বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে ফেরাউন ও তাঁর সম্প্রদায়কে দ্বীনের দাওয়াত প্রচার করেছেন। যুগের প্রেক্ষাপট বুঝে দাওয়াত প্রদানের কারণে অসংখ্য জাদুকর আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল।
ঈসা আ. এর সময়ে চিকিৎসা বিদ্যার প্রচলন ছিল বেশি। তিনি তাই আল্লাহ প্রদত্ত চিকিৎসা বিদ্যার ব্যবহারের মাধ্যমে দাওয়াত দিয়েছেন। মৃতকে আল্লাহর হুকুমে জীবিত করে দেখানোর মাধ্যমে দাওয়াতি কাজ করেছেন।
সর্বশেষ মুহাম্মাদ সা. কে আল্লাহ সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ এ দুনিয়াতে প্রেরণ করেছিলেন। তিনি এ ধরণীতে এসে মুশরিক, ইহুদি সহ সবাইকে দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছেন। দাওয়াত দানে তিনি তৎকালীন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। সাফা পাহাড়ে উঠে এবং ওকায মেলায় গিয়ে গিয়ে তিনি মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন। সে যুগে সাহিত্যের প্রভাব ছিল বেশি। তিনি উচ্চাঙ্গের আরবী সাহিত্যের ব্যবহার করেও মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন।
নবী সা. জীবদ্দশাতেই দাওয়াতের জিম্মাদারি তাঁর উম্মতের উপর অর্পিত হয়েছে। পবিত্র কুরআনে এই উম্মতকে শ্রেষ্ঠ উম্মত বলা হয়েছে তাঁদের উপর দাওয়াতের কাজ অর্পনের কারণেই। কেয়ামত পর্যন্ত তাই এই উম্মতের উপর দাওয়াতি কাজ করা ফরয। এই উম্মতকে তাই সব রকমের উপায়ে দাওয়াতি কাজ কেয়ামত পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।
বিজ্ঞানের উন্নতির এই যুগে দাওয়াত প্রচারের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অল্প সময়ে, অল্প কষ্টে অসংখ্য মানুষের কাছে দ্বীনের দাওয়াত প্রচার করা যায়। তবে আধুনিক মাধ্যমগুলোতে ইসলামের ছহিহ আকিদার মানুষ কম আসায় এ ক্ষেত্রে সুযোগ নিচ্ছে বিভিন্ন ভ্রান্ত দল ও গোষ্ঠী। তাদের থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে আধুনিক মাধ্যমগুলোতে সঠিক আকিদার ইসলামকে মানুষের চরিত্র গঠনের নিয়তে ব্যবহার করতে হবে। নিচে কিছু আধুনিক প্রযুক্তির উল্লেখ করা হচ্à