আজ (১৮ জুলাই) জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসার সবক উদ্ধোধনীতে গুরুত্বপূর্ণ এক বক্তব্য দিয়েছেন মাদরাসার মুহতামিম বিশিষ্ট আলেমে দীন আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী। তার ভাষণটি আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের পাঠকদের জন্য অনুলিখন করেছেন আওয়ার ইসলামের বিশেষ প্রতিনিধি মোস্তফা ওয়াদুদ
ইলমে দীন হলো শাহী ইলম। যারা ইলমে দীন অর্জন করবে তারা শাহী চিন্তার অধিকারী হবে। পুরো জাতিকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা করবে। একজন মুচি জুতা সেরাই করে। সে সর্বদা জুতার চিন্তা নিয়ে থাকে। সে সব সময় মানুষের পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার চিন্তা এ পরর্যন্তই।
আর কুরআন পুরো জাতির জন্য নাজিল হযেছে। সুতরাং যারা কুরআনের ধারক-বাহক হবে তারা পুরো জাতিকে নিয়ে চিন্তা করবে। কুরআনের শিক্ষা জাতীয় শিক্ষা। আবার কুরআন আল্লাহর পক্ষ হতে নাজিলকৃত ওহী। কুরআন-হাদীসের জ্ঞান যেমন ওহী। তেমনি হাদিসের শিক্ষাও ওহী। তাই ইমাম বুখারী তার কিতাব কিতাবুল ওহী দ্বারা শুরু করেছেন। এই ইলমে দীন ও ইলমে ওহী সবাই অর্জন করতে পারে না।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন, ‘তিনি যাকে চান তাকে দীনের জ্ঞান দান করেন।’ অতএব তোমরা যারা ইলমে দীন অর্জন করার জন্য এসেছো। নিঃসন্দেহে বলা যায় আল্লাহ তোমাদের পছন্দ করেছেন। নির্বাচিত করেছেন। ভালবেসেছেন। এজন্যই তোমাদের মাদরাসায় নিয়ে এসেছেন। দীনের জ্ঞান শিক্ষার সুযোগ দিচ্ছেন।
ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে কার কি কাজ? শিক্ষকের কাজ হচ্ছে, ছাত্ররা রাসূল সা. এর মেহমান। তারা ইলমে দীন শিখতে এসেছে। উস্তাদদের কাছে তারা নিজেদের জীবনকে সপে দিয়েছে। সুতরাং উস্তাদগণ তাদের দ্বায়িত্বকে কাজে লাগাবে। রাসূল সা. এর মেহমানদের খেদমাত করবে। তাদের ইকরাম করতে হবে। উপকার করতে হবে। তাদের কাছে ইলমের বাণী সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়াই হলো সবচে বড়ো উপকার।
ছাত্রদের কাজ হচ্ছে, তোমরা উস্তাদদের আদব, ইহতেরাম রক্ষা করে চলবে। উস্তাদের সম্মানের দিকে লক্ষ রাখবে। উস্তাদের প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট থাকতে। আর ছাত্রদের জন্য ত্যাগ ও কুরবানীর মেজাজ থাকতে হবে। যে ত্যাগ ও কুরবানী করবে। কষ্ট স্বীকার করবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহপাক তার রহমতের দরজা খুলে দিবেন। আল্লাহপাক বলেন, ‘যে চেষ্টা করে আমি তার জন্য অনেক দরজা খুলে দেই।’ সুরা আনকাবুত
যে কোন প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখা ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য যে বিষযটি প্রয়োজন তা হলো প্রতিষ্ঠানের নিয়ম নীতি মেনে চলা। প্রতিষ্ঠানেà