সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


স্ত্রী নির্বাচনে দৃষ্টিভঙ্গি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

1442817945মুফতি জাহিদুজ্জামান : জীবন কোন সহজ সমীকরণ নয় যে, তাতে কোন ঘাত-প্রতিঘাত আসবে না বা আসে না। জীবন মানে যুদ্ধ। যুদ্ধক্ষেত্রের এক সঙ্গীর নাম স্ত্রী। তাই স্ত্রী হতে হবে সেই জীবনের সহযোদ্ধা। বাস্তবে অনেকে ব্যক্তিগত লোভ লালসার জন্য জীবন সঙ্গিনী চয়নে এমন একজন সাথী বাছাই করে, যে দাওয়াতের ক্ষেত্রে সহায়ক হয় না। এটা সুখের চেয়ে দুঃখই বেশি বয়ে আনে। কর্মজীবনে প্রবেশ করে সে বিরাট হোঁচট খায়। তারা শেষ পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রেই ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দূরে সরে যায়। জীবন প্রবাহের গড্ডালিকায় গা ভাসিয়ে দেয়।

দা’য়ির সমাজ যেহেতু জাহেলিয়াতের প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত নয় তাই সে কখনো প্রচলিত সমাজের রীতিনীতির কারণে বিরাট বিপাকে পড়ে যায়। যেমন বিবাহ । প্রচলিত ধারায় তাকে তার পিতামাতা আত্মীয় স্বজন সমাজ তাকে বিবাহে উদ্বুদ্ধ করে। এর ভিত্তিতে সে বিবাহ করে ঘরে স্ত্রী নিয়ে আসে। স্ত্রী মানুষের জীবনে অর্ধাংশ দখল করে রাখে। একারণেই তাকে বলা হয় অর্ধাঙ্গনী। সেই স্ত্রীই যেমন নেয়ামতের উৎস হতে পারে, হতে পারে আবার দুর্ভাগ্যের উৎস। দায়ির দাওয়াতের ক্ষেত্রেও এই দুই ধরণেরই অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়। অনেক দায়ির বিবাহোত্তর জীবনে আরো সুন্দরভাবে ইসলাম প্রভাব ফেলে। তারা ইসলামের সঠিক পথে অগ্রসর হয়েছে। তাদের ইসলামের খেদমত আরো বেগবান হয়েছে। আবার অনেকেরই বিবাহত্তোর জীবনে চরিত্র বিনষ্ট হয়েছে। ইসলামের প্রতি আগ্রহ উদ্দীপনা কমেছে। এমনকি অনেকে দাওয়াতের পথ থেকে সরে গেছেন।

একটি উদাহরণ দিই, ভারতের এক ইমাম সাহেব স্ত্রীর দাবীর কারণে দাড়ি ছাটিয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাস করা হলো এমনটি কেন করলেন। জবাবে ইমাম সাহেব বললেন- তা না করলে যে আমার স্ত্রী ঘরে থাকে না। একারণে দায়িদের এই চিন্তা ভাবনা করতে হবে যে- আমি যাকে গ্রহণ করবো তার ইসলামের বিধি বিধানের প্রতি আগ্রহ আছে কিনা। সে ইসলাম বুঝে কিনা। সে কোন ধরনের পরিবারে বেড়ে ওঠেছে। এসব যাচাই বাচাই করে তারপর জীবন সঙ্গিনী নিতে হবে। অন্যথায় দায়ির জীবন হয়ে উঠবে দুঃখভরা।

তাই ইসলাম এমন জীবন সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। যথা- বিবাহের উদ্দেশ্য নির্রাধণ
ইসলাম তার স্বভাবজাত চাহিদা মাফিস অন্যান্য বিষয়ের মতো বিবাহের ক্ষেত্রেও দ্বীনি বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছে এবং বিবাহকে দ্বীনের পূর্ণতা হিসাবে গণ্য করেছে।

হযরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তিকে আল্লাহ সৎ স্ত্রী দান করলেন তাকে অবশà