সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


লক্ষ আলেমের ফতোয়া জাতীয় ঐক্যের একটি বিশেষ পদক্ষেপ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

fumফতোয়া মানবজাতির জন্য কল্যাণকর ইসলাম ধর্মের এক বিশেষ বিধান বা ব্যবস্থা। বিশেষ পরিস্থিতি বা সংকটে বিশেষ করে মুসলমানদের মধ্যে এটা এক অভাবনীয় ফল দেয়। টনিকের মতো কাজ করে। ভারতবর্ষে মাওলানা হুসাইন আহমাদ মাদানীর ‘ইংরেজ খেদাও’ ফতোয়া ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। এছাড়াও আরো অনেক বুযুর্গ ফতোয়া দিয়ে বহু সংকট ও সমস্যার মীমাংসা করেছেন। বাংলাদেশে সর্বশেষ সে ধরনের ফতোয়া দিয়েছিলেন হযরত মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জি হুজুর। সেটা ছিল মুসলমানদের ‘তওবা’ বা আত্মশুদ্ধির ফতোয়া। সাড়া এসেছিল অকল্পনীয়। বাতিলের তখ্ত-তাউস কেঁপে উঠেছিল মুহূর্তেই। বর্তমান প্রজন্মের সামনে সে রকম আরেকটি ফতোয়া এসেছে যার কাছ থেকে, তিনি মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ। স্বাক্ষর করেছেন লক্ষাধিক আলেম। আশা করা যাচ্ছে এটি বর্তমান প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা জঙ্গিবাদ প্রতিহতের পাশাপাশি বাংলাদেশের সর্বশ্রেণি-পেশার মানুষকে এক কাতারে নিয়ে আসবে একাত্তরের সেই স্বাধীনতা যুদ্ধের মতো। কে এই সাহসী ফরীদ উদ্দীন মাসউদ? কী তার যোগ্যতা? একটি কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, তিনি বাংলাদেশের একজন প্রথম সারির লেখক, চিন্তাবিদ এবং সংগঠক। তার চিন্তার বাঁক, গভীরতা, দূরদর্শিতা নতুন প্রজন্ম আঁচ করতে একটু সময় নিচ্ছে এই যা; বিশেষ করে ফতোয়ার বিষয়টি। কী বলেছেন তিনি ফতোয়ায়? কেন বলেছেন? এতসংখ্যক আলেমইবা কেন তার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হলেন? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে মুখোমুখি হয়েছিলেন তরুণ প্রজন্মের আরেক প্রতিনিধি জাকির মাহদিন।

জাকির মাহদিন : জাতির চলমান এই বহুমুখী সংকটে আপনার শক্তিশালী অবস্থান, ব্যক্তিত্ব ও জ্ঞানকে জাতীয়/ইসলামি ঐক্যের কাজে কেন ব্যবহার করছেন না? কেন আপনি দেশের আলেম সমাজ, সুশীল সমাজ ও চিন্তাশীলদের নিয়ে বসছেন না?
ফরীদ উদ্দীন মাসউদ : ‘সুশীল সমাজ’ শব্দটা আমি পছন্দ করি না। এটাও ইসলামি সমাজ, ইসলামি অর্থনীতি ইত্যাদির মতো একটা শ্রেণিবদ্ধ ও সংকীর্ণ ধারণা। এসব ধারণাগুলোই মূলত সাধারণ মানুষদের থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। রাষ্ট্রের একশ্রেণির সুবিধাভোগী ব্যক্তি জনগণের প্রতি ঘৃণার বহির্প্রকাশ হিসেবে নিজেদের সুশীল সমাজ বলে পরিচয় দেয়। বড়জোর এক্ষেত্রে ‘নাগরিক সমাজ’ বলা যেতে পারে। আলেম সমাজসহ সবাই সে নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের অংশ। সে দিক থেকে সামগ্রিক জাতীয় ঐক্যের প্রাথমিক ভিত্তিটা স্থাপন করতে চিন্তাগত সূত্রে আমি নিজস্ব অবস্থান থেকে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছি। এর ফলে সম্প্রতি একটি বৃহৎ ঐক্যের সম্ভাবà¦