
শামীম হোসেন: রিও অলিম্পিকের পর্দা উঠতে আর কয়েক ঘণ্টা বাকি। শুক্রবার ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হবে এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এবারের অলিম্পিকে ভিন্ন ভিন্ন ইভেন্টে লড়বেন সাত বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদ। ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্টে এবারই বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করছেন। তাই কোটি কোটি ক্রীড়াপ্রেমীদের প্রত্যাশাও বেশি। তবে অলিম্পিকের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে তাঁরা নিজেদের সেরাটা দেয়ার কথা বলেছেন। এবার একনজরে দেখে নেয়া যাক বাংলাদেশি সাত ক্রীড়াবিদের সাফল্য-সম্ভাবনা।
প্রথম বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদ হিসেবে সরাসরি অলিম্পিকে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান। শুধু তাই নয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও বহন করবেন তিনি। দেশের প্রথম পেশাদার গলফার সিদ্দিকুর এ পর্যন্ত দুটো এশিয়ান ট্যুরের শিরোপা জিতেছেন। এবার তাঁর সামনে অলিম্পিকে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার সুযোগ।
২০০৮ সালে ইসলামাবাদ সাফ শ্যুটিংয়ে প্রথম অংশ নিয়ে দলগত বিভাগে স্বর্ণপদক জিতেন শুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকির। এরপর টানা চার বছর ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে স্বর্ণ জেতেন তিনি। বাকির ক্যারিয়ারের সবচেয়ের সেরা সাফল্য ২০১৪ গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে। ভারতের অভিনব বিন্দ্রার কাছে হেরে রুপা জেতেন তিনি। অবশ্য এই বিন্দ্রাকে হারিয়েই কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণ জিতেছিলেন আসিফ।সেই বাকি এবারের অলিম্পিকের শ্যুটিংয়ে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে অংশ নিচ্ছেন। কমনওয়েলথ গেমসে সাফল্য পাওয়ায় এবারের অলিম্পিকেও তাঁর প্রতি দৃষ্টি থাকবে সবার।
২০০৯ সালে জাতীয় জুনিয়র মিটে প্রথম অংশ নিয়ে চমকে দেন মেজবাহ আহমেদ। জিতে নেন ১০০ ও ২০০ মিটারে দৌড়ে স্বর্ণ পদক। তখনই জানিয়ে দেন ভবিষ্যতে কিছু করে দেখানোর ক্ষমতা রাখেন তিনি। সে ধারাবাহিকতায় মেà


