সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


কাতারে বাংলাদেশি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সফলতার গল্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইমরান আনোয়ার; কাতার থেকে

কাতার। আরব উপদ্বীপের পূর্ব উপকূল থেকে উত্তর দিকে প্রসারিত একটি সমৃদ্ধশালী দেশ। ইসলামি সভ্যতা ও সংস্কৃতি সুরক্ষার অন্যতম কেন্দ্র ভাবা হয় ক্ষুদ্রায়তনের এ দেশটিকে। প্রগতি, উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো-ব্যবস্থার চোখধাঁধানো উৎকর্ষতায় বর্তমানে দেশটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় জনপদে রূপান্তরিত হয়েছে।

আধুনিক কাতারের জনক শাইখ হামাদ বিন খালিফা আল-থানি ১৯৯৫-এর জুনে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরোহণ করেন। এরপরই বদলে যেতে থাকে দেশটির বর্ধমান রূপ। সে ধারাবাহিকতা বজায় থেকেছে বর্তমান আমির তামিম বিন হামাদ আল-থানি'র শাসনামলেও। খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসে পরিপূর্ণ উপসাগরীয় এ ভূখণ্ডটি একদিকে যেমন বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে, অন্যদিকে তার ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং ইসলামি রেনেসাঁ-আদর্শকে পৃথিবীবাসীর সামনে তুলে ধরেছে সুনিপুণ কৌশলে।

শিক্ষা, অর্থনীতি, মানবসেবা উন্নয়নের পাশাপাশি ধর্ম প্রচারেও দেশটি লাভ করেছে প্রভূত সাফল্য। দাওয়াতি মেহনত, মানবিক মূল্যবোধ চর্চা, বিশ্ববরেণ্য আলেমদের যথাযথ মূল্যায়ন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদশি কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে দেশটি হয়ে উঠেছে আরব-অনারবের অভূতপূর্ব মিলনমেলা!

কাতারে রাষ্ট্রায়ত্ব অন্য সকল প্রতিষ্ঠানের মত ধর্মীয় কার্যক্রমও পরিচালনা হয় একটি বিশেষ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে। 'ওয়াযারাতুল আওকাফ ওয়াশ-শুঊনিল ইসলামিয়াহ' বা 'ধর্ম মন্ত্রণালয়' হিসেবে পরিচিত এ প্রতিষ্ঠান বিশ্বের যে কোন মুসলিম স্কলারকেই উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করে থাকে।

এবং নিজেদের প্রকল্পভুক্ত যে কোন পবিত্র দায়িত্ব পালনে বিশ্বের সুপরিচিত ইসলামি ব্যক্তিত্ব, দক্ষ আলেম এবং সুমিষ্ট তিলাওয়াতের অধিকারী কুরআনের হাফেজদের কর্মসংস্থানেরও আয়োজন করে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়াসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিভাবান হাফেজ-আলেমদের মনোনিত করে তাঁদের উপর এখানকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক, ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনের অপরিহার্য দায়িত্ব-ভার তুলে দেওয়া হয়।

তুলনাগত বিচারে দায়িত্ববান কর্মকর্তাদের সিংহভাগই আসেন বাংলাদেশ থেকে; যা একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদা ও গর্বের।

দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশীরাই এগিয়ে

আগেই বলা হয়েছে, পুরো বিশ্বের মুসলিম জনগোষ্ঠী থেকে নির্বাচিত হাফেজুল কুরআন এবং বিদগ্ধ আলেমগণ এখানে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত আছেন। তবে তাঁ