সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রশাসনের দুর্বলতা ও উদাসীনতায় অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে: পীর সাহেব চরমোনাই রিমান্ড শেষে এমপি নজরুল কারাগারে  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা নিয়ে সরকারের জরুরি বার্তা জামায়াত থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যোগ দিলেন প্রকৌশলী ‘কাদিয়ানিদের সম্মেলনে ইহুদিদের ঢল বিশ্ব মুসলিমের জন্য গুরুতর সংকেত’ মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রকাশ জাতীয় প্রেক্ষাপটে কওমি ধারা: বিভেদ পেরিয়ে ঐক্যের পথে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব

ঢাকায় ফ্রি খাবার; আপনিও খেতে পারেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

khabar2

সৈয়দ সাইফুল ইসলাম শোভন

ঢাকায় টাকা উড়ে। শুধুই কি টাকা?

এই ঢাকায় টাকায় কত কি যে পাওয়া যায় তার হিসেব নেই। টাকা হলে বাঘের দুধ মিলে। কিন্তু টাকা না হলেও অনেক কিছু ঢাকায় মিলে, যেমন খাবার। বিনামূল্যে খাবার, মাগনা খাবার।

প্রতিদিন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যায়। কোথাও ভাত-ডাল-সবজি, কোথাও তেহারী, কেথাও খিচুরী।

ধানমন্ডিতে যদি কোনদিন দুপুরে খাবারের সংকটে পড়েন তবে সাত মসজিদ রোডের আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের মেহমানখানার অতিথি হতে পারেন। শংকর থেকে ১৫ নাম্বার যাওয়ার পথে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের অফিস। গতকাল আমি গিয়েছিলাম।

প্রতিদিন এখানে প্রায় হাজার দুই লোক দুপুরের খাবার খায়। যত খুশি তত খাও এই খাবার। কোন বাধা নেই। সারি সারি প্লেট সাজানো, পানির ট্যাংক, গ্লাস। হাত মুখ ধুয়ে। নাও আর খাও।

পোশাক আপনার যাই হোক না কেন? শেখ সাদীর মত আপনাকে এখানে বিব্রত হতে হবে না । এই মেহমানখানায় মেহমান হিসেবে সবাই সমান। পেটপুরে খেয়ে বাড়িতে নেওয়ার জন্য যদি আবদার করেন। তবে তাও রাজি মেহমানখানার লোকরা । আপনাকে পূণ আপ্যায়নেই নাকি তাদের পরিতৃপ্তি।

khabar3

আমি গিয়েছিলাম গাজী আহমদ উল্লা ভাইয়ের রুমে। কেন এই খাবার? প্রশ্নের উত্তরে প্রথমেই বলল। আগে একটু খেয়ে নিন, তারপর প্রশ্নের উত্তর।

আমরা পেটপুরে খিচুড়ী খেয়ে আবার জানতে চাইলাম।

কেন এই খাবার? প্রতিদিন হাজার হাজার লোক আমাদের এখানে খেতে আসে। আমরা তাদের মেহমানদারী করতে পারি। তাতেই কতৃপক্ষের সন্তুষ্টি।

রাস্তায় নেমে কথা বলি কয়েকজন রিকশা চালক, ভবঘুরে মানুষের সাথে খাবার কেমন?

উত্তর একটাই স্বাদে ও মানে ঢাকার যে কোন খাবার দোকানকে পিছনে ফেলে দিবে ।

এবার আপনার পালা । চাইলেই গ্রহণ করতে পারেন তাদের আপ্যায়ন।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ