
যারা দেওবন্দি, তারাই কাসেমি— খবরটি হয়তো লোকটির নলেজে নেই৷ একজনে আমায় হাতের ইশারায় বসতে বললো৷ হয়তোবা ভেবে নিয়েছে তাদেরই আকিদার কেউ৷
মাজার, কবর, পীর, আউলিয়া মানে না দেওবন্দিরা৷ বুড়ো মতোন এক দাড়িহীন লোক বোঝাতে লাগলো আমায়৷ আমিও মুনাফিকের কায়দায় তাল মেলালাম তার বয়ানে৷ মুহতারামের তাকরির বাদ জানতে চাইলাম—‘এতনি গরমি মে এয়সা কারণে সে কিয়া ফায়দা মিলেগা?' মুচকি হেসে লোকটি আমায় বোঝালো হজরত সাবেরির বরকতের কথা৷ কবরে বসেও প্রতিদিন হাজারো লোকের হাজত পূরণ (?) করবার বিষয়৷ তাজ্জব বনে গেলাম৷ চোখ কপালে তুলে উঠে দাঁড়াবার কোশেশ করলাম৷ ততোক্ষণে লোকটি ব্যস্ত হয়ে পড়েছে আরেকজনকে হেদায়াত (?) দেয়ায়৷
সামনের ঢোলের তালে তালে নাচছে একদল তরুণী৷ মাথার কেশরাজি লম্বা তাদের৷ পরনে সেলোয়ার-কামিজ৷ পেট, পিঠ, বুক— সবই বাবা ও তার আশেকানের জন্য উৎসর্গিত৷ লোকে দেখে৷ লাফিয়ে ওঠে জোশে৷ আমিও ওঠলাম লাফিয়ে৷ মাজারের পুরোটা দেখবার ইচ্ছেয় হাঁটা ধরলাম সামনে৷
বকুলের দুটো বিশাল গাছ নজরে পড়লো আমার৷ পত্রপল্লব সজ্জিত যার হাজার কয়েক পত্রমিতালিতে৷ দু'চারটে মেলে ধরলাম চোখের তারায়৷ পড়তে চেষ্টা করলাম বার কয়েক৷ পড়া গেলো না তবু৷ আরেকটু কাছে এগিয়ে দেখলাম উর্দু, হিন্দি, পাঞ্জাবি, মারাঠি, ইংরেজি ভাষায় লেখা দরখাস্ত, আবেদনপত্র৷ কোনোটায় অভিলাসী প্রেমের কথামালা, কোনোটায় বা যাবতীয় সমস্যা নিরসনে প্রার্থনা কামনা৷
আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে খোদা বলে মানি না৷ মুখে এরাও স্বীকার করে বলে জানালো এক ভদ্রলোক৷ কিন্তু চাওয়াà