সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


যুক্তরাষ্ট্রে বাড়তি নজরদারিতে বিরক্ত মুসলিম জনগোষ্ঠী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

us-muslimআওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় লাখ খানেক সোমালি বাস করেন।

এদের বেশিরভাগই নিজের দেশে সংঘাত আর সহিংসতা থেকে বাচতে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদের বেশিরভাগই মুসলমান। এ সপ্তাহে মিনেসোটায় সোমালি এক ব্যক্তির হামলা চালানোর ঘটনার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, দেশে মুসলমানদের চালানো সন্ত্রাসী হামলা, কিভাবে ঠেকাবে কর্তৃপক্ষ?

ইউরোপের অনেক দেশের মত যুক্তরাষ্ট্রেও এখন অভিবাসী মুসলমান জনগোষ্ঠীর জন্য নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন কর্মসূচী। তাদের ওপর নজরদারি যেমন বাড়ছে, তেমনি আলাদা কর্মসূচী নেয়া হচ্ছে যাতে, এই কম্যুনিটির মানুষের মধ্যে শিক্ষা-সচেতনতা বাড়ে এবং প্রবঞ্চনার বোধ না বাড়ে।

কিন্তু কর্তৃপক্ষের এ ধরণের কর্মকাণ্ডে বেশ বিরক্ত সেখানকার স্থানীয় লোকজন।

স্থানীয় সংগঠক বুরহান মাহমুদ কর্তৃপক্ষের নেয়া নতুন উদ্যোগের কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি বলছেন, "একজন খুনি বা ধর্ষককে ধরার জন্য কি কর্মসূচী নেয় কর্তৃপক্ষ? এখন একটি কম্যুনিটির মানুষকে উদ্দেশ্য করে ন্যাশনাল প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে, কেন? ব্যাপারটা এমন যে আপনি গুটি কয়েক সন্ত্রাসীকে ধরার জন্য পুরো কম্যুনিটির মানুষকে টার্গেট বানাচ্ছেন। অল্প কয়েকজনের জন্য আমাদের সবাইকে অপরাধী হিসেবে দেখানো হচ্ছে"

বুরহানের মতই ক্ষুব্ধ আর বিরক্ত এখানকার অনেক কিশোর শিক্ষার্থী।

সোমালি শিক্ষার্থীরা স্কুলগুলোতে রীতিমত বৈষম্যের শিকার হয় বলে অভিযোগ করছে।

তাদের বেশিরভাগকেই সরকারের বিভিন্ন নজরদারি কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নিয়মিত পুলিশের কাছে হাজিরা দিতে হয়।

সহযোগিতা না পেলে আবার ব্ল্যাকলিস্টেড হবার আশংকা রয়েছে।

আর সেই সঙ্গে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনেও মুসলমান বিরোধী নানা ধরনের বক্তব্য উঠে আসছে।

বুরহান মাহমুদ বলছেন, "অ্যামেরিকার মুসলমান গোষ্ঠীর প্রতি তাদের যে মনোভাব, সেটি আপনাকে যত বেশি সম্ভব অ-অ্যামেরিকান করে তুলবে। কারণ এর মাধ্যমে ভয় ছড়ানো হচ্ছে। আর আইসিসও ঠিক এই কাজটাই করছে। তারা বলছে, তুমি অ্যামেরিকার কেউ নও, তারা তোমাকে এখানে দেখতে চায় না"

ঠিক এই মনোভাবই ধ্বনিত হল স্থানীয় রেস্তরাগুলোতে আড্ডা দিতে আসা তরুণদের মধ্যে।

এদের মধ্যে একজন হাইস্কুলের বাস্কেটবল দলের খেলোয়াড়, বলছিলেন দলের বাকি খেলোয়াড়েরা এমন ব্যবà