সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


স্বীকৃতি নয়; ৯ সদস্যের কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেছে বেফাক: মিযানুর রহমান সাঈদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

mizanur-rahmanআব্দুল্লাহ বিন রফিক

স্বীকৃতি নিয়ে কওমীদের বাহ্যত বেশ হার্ডলাইনে দেখালেও কেউ কিন্তু কল্যাণ ও বাস্তবতা বিবর্জনের পক্ষে নন। সকলেই শান্তি, স্থিতি ও সার্বিক কল্যাণের ভিত্তিতেই স্বীকৃতির পক্ষে-বিপক্ষে সুর তুলেছেন। বর-কণের মতো স্বীকৃতি ঘরে তুলবো না ঘরের বাইরেই ফেলে রাখবো এমন দ্বিমুখী দ্বন্দ-স্রোতে ভাসছে কমবেশি সকলেই। তাই আওয়ার ইসলামও ছুটে গিয়েছিলো ফিকহের এক কর্ণধার বিশিষ্ট আলেম ও শায়েখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ  সেন্টারের পরিচালক মুফতী মিযানুর রহমান সা্ঈদ-এর কাছে। স্বীকৃতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরেছেন আওয়ার ইসলামের কাছে।

আব্দুল্লাহ বিন রফিক : কওমী মাদরাসার স্বীকৃতি নিয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করার পর ইতোমধ্যে বেফাক কর্তৃক তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। সরকার ও আলেমদের দ্বিমুখী অবস্থানে সংকট ও সমস্যার যে দেয়াল দাঁড়িয়ে গেলো এ থেকে আমাদের উত্তরণের উপায় কী?

মুফতী মিযানুর রহমান: আসলে সমস্যা ও সংকট তো একদিনে তৈরি হয়নি এটি দীর্ঘকাল পরিক্রমার মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে। তাই সমাধানও একদিনে করা সম্ভব নয়। স্বীকৃতির আওয়ায ছোটরা তোলার আগেই বড়রা বিশেষত আল্লাা আহমাদ শফী’র মতো বড়রা যদি তুলতেন তাহলে বর্তমানের ঘোলাটে পরিস্থিতি হয়তো হতো না। তবে আল্লামা আহমাদ শফী বর্তমানে স্বীকৃতির প্রতি এবং ছাত্রদের প্রতি খুবই আন্তরিক। কারণ বর্তমানে স্বীকৃতি বিভিন্ন দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান প্রেক্ষাপটের বিচারে, সামাজিক ও জাতীয় স্বার্থে, ছাত্রদের তাগিদে এই স্বীকৃতি এখন প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে একটি বিষয়ে ধুম্রজাল তৈরি হয়েছে, অধুনা অনেকে বলতে শুরু করেছেন তাদের আবার মিছিল করতেও দেখা গেছে তারা বলেছেন, বেফাক নাকি স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করেছেন। এটি আসলে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়েছে। বেফাক স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করেনি। প্রত্যাখ্যান করেছে ৯ সদস্যের কমিটিকে। কমিটি প্রত্যাখ্যান করার যথেষ্ট কারণ আছে। কমিটিতে বেফাকের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বেফাকের যে দুজন সদস্য আছে তারা নিজেরাই জানেন না তারা কমিটির সদস্য বনে গেছেন। আর বাকি ৭ জনের খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তারা কেউ বয়সের ভারে রোগাক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী, কেউ রোগের প্রকোপে