সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘কারো প্ররোচনায় চাপিয়ে দেয়া স্বীকৃতি কওমি মাদরাসা মানবে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

befaq-12আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কওমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক ও বেফাক সভাপতি শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, দেশের অধিকাংশ কওমি মাদ্রাসার প্রতিনিধিত্বকারী শিক্ষাবোর্ড বেফাকসহ শীর্ষ উলামায়ে কেরামের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত ও মতামতকে পাশ কাটিয়ে কওমি মাদ্রাসা সনদের মান নির্ধারণের মতো অতিব গুরত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে ব্যক্তি অভিপ্রায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই। বিতর্কিত কারো প্ররোচণায় সরকার কওমি সনদের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চাইলে, সেটা আলেম সমাজ ও কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকসহ তৌহিদী জনতা মেনে নিবে না।

তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর ও ৯ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, কওমি সনদের বিষয়ে বিশেষ ব্যক্তির নয়, বরং আলেম সমাজের পরামর্শ গ্রহণ করে পদক্ষেপ নিন। তিনি বলেন, প্রতিনিধিত্বহীন ব্যক্তির ভ্রান্ত পরামর্শে সরকার কওমি সনদের বিষয়ে ভুল পদক্ষেপ নিচ্ছে। এতে আলেমসমাজসহ তৌহিদী জনতার কাছে সরকারের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এতে করে জনগণের মনে এমন ভাবনা জাগার আশংকা আছে, তবে কি স্বাধীনভাবে ধর্মীয় শিক্ষাক্রম পরিচালনা এবং ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক অধিকারেও সরকার হস্তক্ষেপ করতে চাইছে? জনগণের মনে এমন সন্দেহ জোরালো হলে, দেশের স্থিতিশীলতার জন্যে সেটা মারাত্মক ক্ষতিকর হবে। এমনটা হোক, আমরা কখনোই চাই না। তিনি কারো নামোল্লেখ না করে বলেন, শুরু থেকেই একজন ব্যক্তি কওমি শিক্ষার অনেক ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

বেফাক সভাপতি বলেন, কওমি শিক্ষার সনদের মান থাকার যৌক্তিক বিষয়টা সরকার আন্তরিকভাবে অনুভব করে থাকলে, শিক্ষামন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের উচিত, কওমি মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় বোর্ড বেফাকের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্বশীল আলেম সমাজের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা। তিনি বলেন, কওমি সনদের মান নির্ধারণের বিষয়ে বেফাকসহ শীর্ষ আলেমদের পরামর্শক্রমে ২০১২ সালের এপ্রিলে কমিশন গঠনের আগেই মাদ্রাসাসমূহের স্বকীয় বৈশিষ্ট, স্বাধীন শিক্ষাক্রম পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনাসহ দেওবন্দী নীতি-আদর্শের সুরক্ষার জন্যে সরকার সংশ্লিষ্ট মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ ও মাওলানা রূহুল আমীনের মধ্যস্থতায় ঐকমত্য সিদ্ধান্তে ৬টি পূর্ব শর্ত এবং কমিশন গঠনের জন্যে ২১ জনের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর কোনটাই না মেনে পছন্দের ১৭ জনকে দিয়ে কমিশন করে তখন থেকেই অদ্যাবদি একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তখন থেকেই সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ বল