মোস্তফা ওয়াদুদ
বিশেষ প্রতিনিধ

মাকতাবাতুল আযহার, মাকতাবাতুল ইসলাম ও মাকতাবাতুল আতিকের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর বাড্ডায় চলছে পক্ষকালব্যাপী কিতাবমেলা। গত ১৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে আগামী ২৭ তারিখ পর্যন্ত। মেলা চলাকালীন সময়ে প্রতি বৃহঃস্পতিবার (১৩, ২০ ও ২৭) তারিখে নতুন ১০ টি করে বইয়ের 'মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা' হবে। মোড়ক উন্মোচনে থাকবেন দেশের খ্যাতিমান লেখক, সাহিত্যিক, কলামিষ্ট, সম্পাদক, সাংবাদিক ও প্রকাশকগণ।
লেখকের অটোগ্রাফসহ বিশেষ ছাড়ে বই সংগ্রহের সুযোগও থাকবে এসব অনুষ্ঠানের দিনসমূহে। মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন আইটেমের কিতাব থাকছে। অন্যান্য সময়ের চেয়ে তুলনামূলক অনেক ছাড়ে এসব কিতাব গ্রাহকের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। মেলায় ইসলামি কিতাব ও বইয়ের সংখ্যাই বেশি। আগত দর্শনার্থীদের মাঝে সাধারণ মানুষের ভিড়ও পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও আলেম-উলামার উপস্থিতি ব্যাপক থাকলে সাধারণ মানুষদের মেলায় দেখা যায়নি।
শনিবার বিকেলে কিতাবমেলা ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে, প্রকাশিত নতুন বইয়ের প্রতি পাঠকের চাহিদা বেশি। নতুন বই কেনার জন্য এসেছেন অনেকেই। বারিধারা মাদরাসা থেকে মেলায় এসেছেন আব্দুল ওয়াদুদ। তিনি জানালেন, আমি প্রায় পুরাতন সব বই সংগ্রহ করেছি। নতুন কিছু বই এসেছে। এগুলো সংগ্রহ করতে এসেছি।
একই কথা জানালেন মালিবাগ জামিয়ার তাকমিল জামাতের ছাত্র মুহসিনুদ্দীন। কুমিল্লা কাসিমুল উলুম মাদরাসা থেকে এসেছে তামীম আহমদ। তার বক্তব্য ছিলো ভিন্ন রকম। আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদককে পেয়ে তিনি বলেন, দূরের গ্রাহকদের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যেমন একটু বসতে দেয়া বা তাদের সাথে আলাদাভাবে কথা বলা ইত্যাদি। নাস্তার ব্যবস্থা হয়তো কর্তৃপক্ষের করা দরকার। না হয় কিছু হোটেল বসানো প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
মেলায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে প্রায় ৪০০০ আরবি কিতাব। উর্দু কিতাবের সংখ্যা প্রায় ১০০০। এছাড়া বাংলা বইয়ের সংখ্যাও ১০০০ বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে ৬০০০ আইটেমের ৫৫ হাজার খণ্ডের কিতাবাদির বিশাল সমারোহ। আয়োজক প্রকাশকগণ আলাদাভাবেও তাদের প্রকাশিত কিতাবের উপর বিশেষ ছাড় দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, মাকতাবাতুল আযহারের বিশেষ অফà¦