
আওয়ার ইসলাম : আগামীকাল ৩রা ডিসেম্বর শনিবার বিকালে যাত্রাবাড়ী কিতাব মার্কেট অনুষ্ঠিত হবে তাতারীদের ইতিহাস গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। তাতারীদের ইতিহাস গ্রন্থের মূল লেখক ড. রাগেব সারজানী রচিত, বাংলাভাষায় অনুবাদ করেছেন, মাওলানা আবদুল আলীম। কাল গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি : মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন। তাতারীদের ইতিহাস গ্রন্থের ভূমিকায় জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার শিক্ষা সচিব, লেখক গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন বলেছেন, ড. রাগেব সারজানী একজন আধুনিক আরবলেখক। ইসলামের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা, ইসলামের ইতিহাসের প্রতি দরদ ও শ্রদ্ধা―তার চোখের তারায় যে আগামীর স্বপ্ন আঁকে―সেই স্বপ্ন বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতেই তার লেখালেখি। এই স্বপ্ন ছবি হয়ে উড়ে বেড়ায় তার রচনার ছত্রে ছত্রে।
বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটির আলোচ্য বিষয় বর্বর তাতারীদের ঘৃণ্য জঘন্য ইতিহাস। লেখক প্রতিষ্ঠিত সত্যের পাটাতনে দাঁড়িয়ে বলে গেছেন ইতিহাসের দাস্তান। সেই সঙ্গে ইসলামের শাশ্বত বিশ্বাস বরিত চরিত্র এবং মুসলমানদের রক্তে নির্মিত ঐতিহ্য ও আদর্শের প্রতি যত্নবাস থেকেছেন পূর্ণ সতর্কতায়। লেখকের গদ্য শক্তিমান ও প্রাঞ্জল।
আরবী আধুনিক এবং বর্ণনাভঙ্গি ঋজু। ইতিহাসের গ্রন্থ বলে শব্দব্যবহারে ভাষাপ্রাচুর্যও লক্ষণীয়। সবমিলিয়ে তাতারীদের ইতিহাস একটি বর্ণাঢ্য রচনা।
দুই. উত্থান-পতনই এই পৃথিবীর জীবনছন্দ এবং যুদ্ধে পরাজয় কোনো বীরের জন্যে সাময়িক অপমান হতে পারে, আবার সেটাই হতে পারে তার জাতির জন্যে বিজয়ের পাঠ ও পাঠশালা। যেকোনো সভ্য জাতির জন্যে ইতিহাস-ঘনিষ্ঠতার এবং ইতিহাস-মুখিতার রহস্যও হয়তো এটা। তাই যে জাতি তার পেছনের ইতিহাস সংরক্ষণ করে না, পড়ে না, চর্চা করে না―সে জাতি কোনো দিন বুক টান করে দাঁড়াতে পারে না। এ কারণেই আমাদের পূর্বসূরি মনীষীগণ শত্রুর কয়েদখানায় বসেও জিহাদের দাস্তান লেখতে ভোলেননি। কয়লার কালিতে, কাফনের কাপড়ে ইতিহাস লেখার ইতিহাস তো আমাদেরই।
তিন. মাওলানা আবদুল আলীম অসামান্য মেধাবী এক তরুণ। ঈর্ষণীয় প্রতিভার অধিকারী এই তরুণ আলেম। ভেবে দেখেছি―কলমই তার যথার্থ জগৎ। আধুনিক এই আরবী গদ্যের অনুবাদে তিনি আমাকে আশান্বিত করেছেন। আমি তার অনুবাদ পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। আমাদের তরুণ পাঠকগণ এই বই পড়ে অনুবাà