সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

থেমে গেল হৃদয় শীতল করা সুর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

jamshed3রোকন রাইয়ান: পাকিস্তানের খ্যাতনামা ইসলামি সঙ্গীত শিল্পী জুনায়েদ জামশেদ বিমান বিধ্বস্তে নিহত হয়েছেন। বিমানটিতে তার স্ত্রী নেহা জুনায়েদও ছিলেন। ডন নিউজ জানিয়েছে বিমানের ৪৭ আরহীর কেউ বেঁচে নেই।

পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) মিমানটি ৪৭ যাত্রী চিত্রাল থেকে ইসলামাবাদে যাচ্ছিল। পিআই`র ফ্লাইট পিকে-৬৬১ এর যাত্রীবাহী বিমানটি বুধবার স্থানীয় সময় সাড়ে তিনটায় চিত্রাল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর রাডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

আগের সংবাদ: পাকিস্তানে বিমান বিধ্বস্ত; যাত্রীদের মধ্যে আছেন জুনায়েদ জামশেদও

পাকিস্তানের বেসরকারি টিভি জিও নিউজকে মাহমুদ আলী বলেন, সাবেক ক্রিকেটার সাইদ আনোয়ারের তাবলিগ জামাতের চিত্রলে তাশকিল হচ্ছিল। জুনাইদ জামশেদ তাদের নুসরত করার জন্য ১০ দিন সস্ত্রীক চিত্রল গিয়েছিলেন। সেখানে ১০ দিন অবস্থান করার পর আরও অতিরিক্ত দুদিন সেখানে অবস্থান করেন।

ইসলামি সঙ্গীতের জন্য বিশ্বখ্যাত জুনায়েদ জামশেদের মৃত্যুর খবরে পাকিস্তানসহ পুরো বিশ্বেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাংলাদেশের সঙ্গীতপ্রেমিরাও শোকে মুহ্যমান। যার সঙ্গীত হৃদয় শীতল করে দিত, যার সুরে মন উতলা হতো আল্লাহর প্রেমে। সেই প্রিয় মানুষের হুট করে দ্রুত চলে যাওয়া যেন মানতে পারছেন না কেউ।

২০০৯ সালের মে মাসে সংগীতের এক কনসার্টে যোগ দিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন জুনায়েদ জামশেদ। আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ ও আইনুদ্দীন আল আজাদের আয়োজনে কনসার্টটিতে গেয়েছেন বেশ কিছু গান। বাংলাদেশে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে এখনো বাজে সেই সুর।

জুনায়েদ জামশেদ ছিলেন একজন পপ শিল্পী। সেখান থেকে তিনি ইসলামকে বেছে নিয়েছিলেন। একদিন হয়ে পথ পাল্টে দিলেন। হয়ে গেলেন ইসলামি সঙ্গীত শিল্পী। ‘ইলাহি তেরি চৌকাঠ পর ভিখারি বনকে আয়া হো’, মোহাম্মাদ কা রওজা, আই আল্লাহ, মিঠা মিঠা পেয়ারা পেয়ারা’ ইতিহাস হয়ে গেল।

বিমানবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জামশেদের ছেলে জুনায়েদ। লাহোরের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গ্রাজুয়েশন করার পর শখের বশেই রাহেল হায়াত ও শাহজাদ হাসানের সাথে ১৯৮৭ সালের ১৪ আগষ্ট পাকিস্থানের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশাত্মবোধক গান ‘দিল দিà