সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


গাইবান্ধার হাতে লেখা কোরআনটি জাতীয় পর্যায়ে সংরক্ষণের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জিল্লুর রহমান পলাশ, গাইবান্ধা

koran-sorif1

আরবি ও ফারসি ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জনকারী গাইবান্ধার সদর উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের মরহুম ফাইম উদ্দিন আখওয়ান্দের হাতে লেখা প্রাচীন পবিত্র কোরআন শরিফটি জাতীয় পর্যায়ে সংরক্ষণের দাবি উঠেছে। আরবি ও ফারসি ভাষায় সংস্করণকৃত এ কোরআন শরিফটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো। এটি দ্রুত সংরক্ষণ না করলে বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মরহুম ফাইম উদ্দিন আখওয়ান্দ জীবদ্দশায় খড় দিয়ে তৈরি কাগজ ও শিমের বীজ আগুনে পুড়িয়ে কালি বানিয়ে বাঁশের কলমে নিজ হাতে কোরআন শরিফের প্রতিটি হরফ লিপিবদ্ধ করেন। হাতে লেখা এ কোরআন শরিফটি অনান্য কোরআন শরিফের মতো স্বাভাবিক মাপের।

পিতৃপুরুষের হাতে লেখা প্রাচীন কোরআন শরিফটি ‘আখওয়ান্দ’ পরিবারের বংশধর গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি জেলা শহরের সুখনগর এলাকার বাসিন্দা অ্যাড. সেকেন্দার আযম আনাম আখওয়ান্দের কাছে স্বযত্নে সংরক্ষিত আছে।

 
koran-sorif1

তিনি গাইবান্ধা শিক্ষাঙ্গণে আলোচিত সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার সদর উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল মান্নান আখওয়ান্দের ছেলে।

এরআগে, কোরআন শরিফের লেখক মরহুম ফাইম উদ্দিন আখওয়ান্দের ছেলে মরহুম মাগন আখাওয়ান্দ ও তার ছেলে ‘আখওয়ান্দ’ পরিবারের জেষ্ঠ সদস্য মরহুম আব্দুল মান্নান আখওয়ান্দ কোরআন শরিফটি সংরক্ষণ করেন।

অ্যাড. সেকেন্দার আযম আনামের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, ২০০ বছরের পুরনো কোরআন শরিফটি স্বযত্নে সংরক্ষণ করায় অক্ষত আছে। এছাড়া কোরআন শরিফের প্রতিটি পাতার লেখা স্পষ্ট রয়েছে। কোরআন শরিফটির প্রথম পাতা থেকে শেষ পর্যন্ত লেখা দেখে মনে হয়, কোনো টাইপ মেশিন বা কোনো ছাপাখানায় মুদ্রিত হয়েছে। তবে কোরআন শরিফটির কিছু পাতা ও চারপাশের সামান্য অংশ নষ্ট হতে ধরেছে।
koran-sorif-3

কোরআন শরিফ সংরক্ষণে ধারাবাহিকতা সম্পর্কে অ্যাড. সেকেন্দার আযম আনাম বলেন, তার বাবার দাদা ফাইম উদ্দিন আখওয়ান্দ নিজ হাতে কোরআন শরিফের প্রতিটি হরফ লিপিবদ্ধ করেন। কোরআনটি ‘আখওয়ান্দ’ পরিবারের অনেকে নিয়মিত পাà¦