সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


আল্লাহর রাস্তায় থাকলেই ব্যবসা ও কাজ ভালো চলে: মিরাজ ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মিরাজ ইসলাম। একজন প্রতিভাবান সফল তরুণ ব্যবসায়ী। আর আমিন গ্রুপ এন্ড কোম্পানিজ-এর কর্ণধার। খুলনা শহরে তার বেড়ে ওঠা ও লেখাপড়া। বাবার মৃত্যুর কারণে অল্প বয়সেই হাল ধরতে হয় পারিবারিক ব্যবসার। দাওয়াত ও তাবলিগের স্পর্ষে পাল্টে গেছে তার জীবনচিত্র।

সুন্নতি পোশাকে শোভিত এ তরুণ দায়ি স্বপ্ন দেখেন শান্তির পৃথিবী গড়ার। পৃথিবীর মানুষের কাছে তুলে ধরতে চান ইসলামের শ্বাসত বাণী। ইসলামের বাণী প্রচারে ভ্রমণ করেছেন প্রায় ১২টি দেশ। তিনি ব্যবসায়ীদের সমাজসেবামূলক সংগঠন রোটারি ক্লাব খুলনার অতীত সভাপতি। সম্পৃক্ত আছেন অনেক মাদরাসা মসজিদসহ বিভিন্ন সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে।

৩০ জানুয়ারি ইতালি প্রবাসী বিশিষ্ট লেখক, আওয়ার ইসলামের শুভাকাঙ্ক্ষি সাংবাদিক পলাশ রহমানের সঙ্গে মিরাজ ইসলাম ও ওয়াহিদুজ্জামান রিপন আওয়ার ইসলামের অফিস পরিদর্শনে এসেছিলেন।

এ সময় মিরাজ ইসলামের বদলে যাওয়ার গল্প, দাওয়াতি কাজে ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন রোকন রাইয়ান ও আতাউর রহমান খসরু।

আওয়ার ইসলাম : আপনি দাওয়াত ও তাবলিগের সাথে কীভাবে সম্পৃক্ত হলেন?

মিরাজ ইসলাম : ছোট থেকেই নামাজ-রোজা করতাম। কিন্তু অন্তরের প্রশান্তি পাচ্ছিলাম না। আমি আত্মার প্রশান্তির জন্য বিভিন্ন জায়গা গিয়েছি। তাবলিগেরও দাওয়াত পেয়েছি। একদিন সিদ্ধান্ত নিলাম তাবলিগে যাবো।

আমার এক বন্ধু আমাকে তাবলিগের দাওয়াত দিতো। একদিন এশার নামাজের পর ও জানালো, তাবলিগে যাচ্ছে। আমি যেহেতু আগ থেকে তাবলিগে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তাই ওর সাথে বের হয় গেলাম। আমার প্রথম রুখ পরেছিলো সৈয়দপুর।

আওয়ার ইসলাম : প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো?

মিরাজ ইসলাম : আমার সিদ্ধান্ত ছিলো, আমি এক সপ্তাহ ও দশ দিন সময় লাগাবো। কিন্তু আমি চিল্লা শেষ করে আসি। তিন দিনের মাথায় আমি নিজের ভেতরে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম। আমি দাড়ি রাখার সিদ্ধান্ত নিলাম। সুন্নাতের উপর চলার ইচ্ছা প্রবল হলো। এটা ২০১১ সালের ঘটনা। এরপর থেকে আর কখনো দাড়ি টুপি ছাড়ি নি।

আওয়ার ইসলাম : দাওয়াত ও তাবলিগের কোন জিনিসটি আপনাকে মুগ্ধ করেছিলো?

মিরাজ ইসলাম : আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছিলো, তারা নিজের খেয়ে অন্যের কল্যাণের জন্য কাজ করে। তাছাড়া এখানে শিরক বিদআত নà§