সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


দেওবন্দের অবদান বিশ্বময়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

hamid_akramগতকাল বাদ মাগরিব দারুল উলুম দেওবন্দের মসজিদে রশিদে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বয়ান করেন দেওবন্দ সফরে আসসা মসজিদে নববীর 'কিসমুল হাদিসে'র প্রধান শায়খ, ড. হামিদ আকরাম আল-বুখারী! ourislam24.com এর পাঠকদের জন্য শায়খের বয়ানের অনুবাদ পাঠিয়েছেন দারুল উলুম দেওবন্দের শিক্ষার্থী হাওলাদার জহিরুল ইসলাম

হামদ ও সালাতের পর দেওবন্দ সফরের আনন্দ প্রকাশ করে শায়খ বলেন, “দেওবন্দ সফর আমার জন্য খুবই সৌভাগ্যের মনে করছি৷ আমি অত্যন্ত আনন্দিত এই ইলমের মহান মকবুল এদারায় আসতে পেরে৷ আমি রাসুলের সা. শহর থেকে এসেছি৷ আপনাদের প্রতি দীনি মুহাব্বত আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে৷ ইসলামের শে'আর-নিদর্শনের মধ্যে 'আল হুব্বু ফিল্লাহ ওয়াল বুগযু ফিল্লাহ'ও একটি উৎকৃষ্ট নিদর্শন৷ আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, 'নিশ্চয় মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই৷' ইসলামে আরব-আজম, সাদা-কালো, ধনী-গরিবের মাঝে কোনো ভেদাভেদ নেই৷ সবাই 'লা ইলাহা ইল্লাহ' কালিমার ভিত্তিতে একতাবদ্ধ, পরস্পররকে মুহাব্বতকারী৷”

এর পর তিনি ইলমের ফজিলত বর্ণানা করতে গিয়ে বলেন, “আসলে ইলম কী? ইলম হলো এমন বস্তু যা মানুষের ভেতর-বাহির সবই সৌন্দর্যমণ্ডিত করে তোলে৷”

দারুল উলুম দেওবন্দের প্রশংসা করে শায়খ বলেন, “এটি হলো ইলমের সুউচ্চ মিনার৷ এই জামিয়াটি (দেওবন্দ) 'তুবা' বৃক্ষের অনুরূপ৷ যেমন রাসুল সা. ইরশাদ করেছেন, 'জান্নাতের একটি বৃক্ষের ছায়া এতো বিস্তৃত হবে যে কোনো মুসাফির একশ' বছর সফর করেও তার ছায়া শেষ করতে পারবে না৷' পৃথীবিতে ওই বৃক্ষের দৃষ্টান্ত হলো এই জামিয়া! এটি সেই বৃক্ষ যার বীজ বপন করেছিলেন মাওলানা কাসেম নানুতাবী রহ. এরপর এই বৃক্ষের ডালপালা দেশ-বিদেশে পুরো পৃথীবিতে ছড়িয়ে পড়েছে৷ বর্তমান পৃথীবির এমন কোনো দেশ নেই যেখানে দেওবন্দের কোনো সন্তান (আলেম) নেই৷ সরাসরি দেওবন্দের ফারেগ আলেম না থাকলেও দেওবন্দী আলেমের ছাত্র রয়েছে৷ হারামাইন শরিফাইন, মক্কা মুকাররমা, মদিনা মুনাওয়ারা, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দেওবন্দের সন্তানেরা ছড়িয়ে আছে৷ কেবল মুসলিম রাষ্ট্রেই নয় অমুসলিম রাষ্ট্রেও যেমন, ব্রিটেন, আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা, এঁরা রয়েছে৷ এসব দেশের মুসলমানদের ওপর দেওবন্দের অশেষ অবদান রয়েছে৷

শায়খ বলেন, “আমরা এই মাদারাসাকে নিয়ে গর্ব করি, ঈর্ষা করি৷ রাসুল সা.বলে