সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


বিজ্ঞানের জনক হয়ে আমরা আজ জ্ঞানের ফকির বলে প্রতীয়মান হচ্ছি: খতিব তাজুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

খতিব তাজুল ইসলাম। কওমি মাদরাসা শিক্ষা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে যিনি ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। আলোচনা সমালোচনাও কম হয়নি তাকে নিয়ে। কিন্তু তিনি নিজের অবস্থানে অটল রয়েছেন। থাকেন লন্ডনে। সেখান থেকে ভাবেন বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে।

খতিব তাজুল ইসলাম ইউকে ইক্বরা বাংলা টিভি ভাষ্যকার, জামেয়া মাদানিয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান, আন নূর ইসলামিক স্কুল ইউকের প্রধান পরিচালক, পেকহাম জামে মসজিদ লন্ডনের অনারারি খতিব, জামেয়া নূরানিয়া ইসলামিয়া, বোয়ালজোড়, বালাগঞ্জ, সিলেটের প্রধান পরিচালক, জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির বাজার, সিলেটের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল এবং কওমি মাদরাসা শিক্ষা সংস্কার আন্দোলন (কমাশিসা) ’র প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি তিনি।

মাদরাসা নিয়ে তার কাজের নানাবিধ সমালোচনা জমা রয়েছে নানামনে। আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাক্ষাৎকারে তিনি বিস্তারিত বললেন সেসব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আওয়ার ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক রোকন রাইয়ান

আওয়ার ইসলাম: আপনার বাল্যকাল ও শিক্ষাজীবন সম্পর্কে কিছু বলুন?
খতিব তাজুল ইসলাম: দু-দুজন বোনের পর প্রথম ছেলে সন্তান হিসাবে সকলের আদুরে ছিলাম। মরহুম আব্বাজান ফখরে বাংগাল আল্লামা তাজুল ইসলাম রাহিমাল্লাহ’র নামানুসারে আমার নাম তাজুল ইসলাম রাখেন। আর এই নামটি আমার নানাজান মরহুম শহীদ শেরে শেরপুরী আল্লামা শামছুল ইসলামেরও পরামর্শ ছিলো। তৎকালীন আদর্শের পতাকাবাহী যুগের শ্রেষ্ট উলামাদের সান্নিধ্য পেয়ে আমার আব্বাজান নিজের প্রথম সন্তানকে আলেমে দীন বানানোর প্রত্যয় থেকেই গ্রামের পাঠশালার পাঠ চুকানোর পর মফস্বলের একটি টাইটেল মাদরাসায় আমাকে ভর্তি করান।

আমার মনে আছে, আব্বা তখন বিদেশে চাকরি করতেন। আম্মা খুব কষ্ট করে সম্পর্কে চাচা এবং ওই মাদরাসায় চাকরিরত হাফিজ আব্দুল আজিজ (গরীপুরী হুজুর) সাহেবের হাত ধরিয়ে সেখানে পাঠান। মায়ের কোলে বড় হওয়া ১২ বছরের কিশোর আমি। লজিংএ থাকতে হবে। তাদের বাচ্চাদের পড়াতে হবে। তাদের বাজার করতে হবে। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাশের সাঁকোতে যেতে হবে। এমনি নতুন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়াটা বোধ হয় আমার জীবনে প্রথম সবচেয়ে বড় ধাক্কা। কারণ বাড়িতে গিয়ে মাকে বুঝাতে পারি না আমার কষ্টের কথা। কয়েক মাস à¦