
জি এম রুহুল আমীন। গত ২৭ জানুয়ারি ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ২০১৭ সেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। গাজীপুরের কৃতি সন্তান এ মানুষটি র্দীঘ ১৪ বছর ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে ছাত্র আন্দোলনের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখে সর্বোচ্চ পদটিতে এসে পৌঁছেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এ অনার্স সম্পন্ন করে এখন মাস্টার্সে অধ্যয়নরত তিনি। তার আগামী পথচলা, লক্ষ উদ্দেশ্য ও নানা বিষয়ে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলাম টুয়েন্টিফোর ডটকম-এর প্রতিনিধি বশির ইবনে জাফর
আওয়ার ইসলাম: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, কেমন আছেন ?
জি এম রুহুল আমীন: ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন ?
আওয়ার ইসলাম: আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। প্রথমেই আপনার কাছে যে বিষয়টি জানতে চাইবো তা হচ্ছে, এইযে আপনি ইশা ছাত্র আন্দোলনের মতো বড় একটি সংগঠনের সর্বোচ্চ পদের জন্য মনোনীত হলেন এ অর্জনের কথা কী কখনো ভেবেছিলেন?
জি এম রুহুল আমীন: আসলে পদের জন্য কখনই ভাবা হয়নি। বিশেষ করে যখন আমার ছাত্র আন্দোলনে আসার সময়টির কথা বলি, আমি যে প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছি সেখানে আমার একজন উস্তাদ ছিলেন ‘আবু জাফর মুহাম্মদ সালেহ’ সাহেব। যিনি গাজীপুর জেলার দায়িত্বশীল ছিলেন এবং উনার মাধ্যমেই আমি এই সংগঠনের পরিচয় পাই এবং সদস্য হই। এরপর ২০০৫ সালে মরহুম পীর সাহেব র. এর গাজীপুরে একটি মাহফিল ছিলো যে মাহফিল থেকে উনার বয়ান শোনার মাধ্যমে প্রভাবান্বিত হয়ে এ সংগঠনে সক্রিয় হওয়া। এরপর থেকে শুধু কাজ করে গেছি। যেখানে যে দায়িত্ব এসেছে সেটাকেই পালন করতে চেষ্টা করেছি আর এভাবেই আজ এ পর্যন্ত আশা। তাই পদ নিয়ে কখনোই ভাবনা ছিলো না।
আওয়ার ইসলাম: অন্যান্য সংগঠন রেখে এটাকেই বেছে নিলেন। কী কারণ?
জি এম রুহুল আমীন: বিষয়টা হলো, আমার কাছে তখন মনে হয়েছে ছাত্র হিসেবে প্রত্যেককে একটি আর্দশকে সামনে রেখে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে । যে আদর্শে আদর্শবান একজন ছাত্র তার পুরো জীবনটাকে সর্বাঙ্গে সুন্দর করে সাজাতে শিখবে এবং নিজেকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে ছাত্রসমাজসহ সমগ্র জাতির আশা পুরণ করবে। আর আমার সেই মনোভাব বাস্ত