
ইমাম কাজী কাইয়্যুম। জন্ম ১৯৫৯ সালে সিলেটের বিয়ানি বাজার এবং এখানেই বেড়ে ওঠেন তিনি। ১৯৯১ সালে পাড়ি জমান আমেরিকায়। ইউএস ইসলামিক কলেজে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা সম্পন্ন করে ১৯৯৬ সালে যোগ দেন বিয়ানি বাজার বাঙালি কমিউনিটির প্রতিষ্ঠিত মসজিদে। সেখানে ইমামের দায়িত্ব পালন করেন ২০০৪ সাল পর্যন্ত। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সমাজসেবামূলক সংগঠন মুহাম্মদী কমিউনিটি সেন্টার। ২০১০ সালে তার হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয় অ্যান্টি ট্যাররিজম এ্যওয়ারনেস ইউনিট। বর্তমানে সমাজসেবা কাজেই ব্যস্ত আছেন তিনি। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন জাতিসংঘের শান্তি সেমিনারের প্রধান আলোচক হিসেবে।
আমেরিকায় দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটানো এ মুসলিম নেতার কাছে আওয়ার ইসলাম জানতে চেয়েছিলো সেখান মুসলিমদের সর্বশেষ অবস্থা এবং ট্রাম্পের মুসলিম বিরোধী কর্মকাণ্ডের বাস্তবচিত্রসহ অনেক কিছু। দীর্ঘ আলোচনায় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ার ইসলাম টুয়েন্টিফোর ডটকমের বার্তা সম্পাদক আতাউর রহমান খসরু।
আওয়ার ইসলাম : আজ বিশ্বব্যাপী যে মুসলিম বিদ্বেষ ও ইসলামভীতি দেখা দিয়েছে তার কারণ কী?
ইমাম কাজী কাইয়্যুম : আমার মনে হয়, এজন্য প্রধানত আমরাই দায়ী। পৃথিবীর কোনো জাতির মধ্যে এতোটা আত্মকলহ আছে বলে আমার মনে হয় না। আপনি দেখেন, আমাদের মধ্যে শিয়া-সুন্নি, মাজহাবি-লা মাজহাবি ইত্যাদি কতো রকম বিরোধ রয়েছে।
শুধু শিয়া-সুন্নি দ্বন্ধের কারণে আজ মধ্যপ্রাচ্যের কী করুণ দশা বলুন! আত্মকলহ ও উগ্রবাদের কারণে আমরা শেষ হয়ে যাচ্ছি।
এটাও ঠিক আমাদের বিরুদ্ধে অনেক অপপ্রচারও রয়েছে। আমাদের প্রতি জুলুম করা হচ্ছে কিন্তু অপপ্রচারের সুযোগ তো আমরাই দিচ্ছি। জুলুম করার সুযোগও আমরা দিচ্ছি। নাকি?
আওয়ার ইসলাম : আমেরিকার মুসলিমগণ ধর্মপালনে কতোটা স্বাধীন?
ইমাম কাজী কাইয়্যুম : ইসলামের মৌলিক বিধানসমূহ যেমন, নামাজ, রোজা, যাকাত, হজ্জ, পর্দা, আকিকা, কুরবানি ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। ইচ্ছে করলে মসজিদ নির্মাণ করা যাচ্ছে, সেমিনার সভা করতে পারছি। একটি অমুসলিম দেশে এটুকুই বা কম কী?
[caption id="attachment_26959" align="aligncenter" width="838"]
ঈদের নামà¦