হানিফ ছিলেন কানাডার অধিবাসী ও খ্রিস্টান। কয়েক বছর আগে তিনি মুসলমান হয়েছেন। তিনি মনে করেন একবিংশ শতকে আমেরিকা মহাদেশে মুসলমানদের সংখ্যা বিপুল হারে বাড়বে। ইসলামের মূল কেন্দ্রগুলো থেকে অনেক দূরে থাকা সত্ত্বেও এই অগ্রগতি ঘটছে আমেরিকা মহাদেশে।
আমেরিকায় মুসলমানদের মসজিদের সংখ্যা খুবই কম। তা সত্ত্বেও এই মহাদেশে অন্য যে কোনো ধর্মের চেয়ে দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করছে ইসলাম। হানিফের মতে, এর কারণ হল, মানুষ তার প্রকৃতির দিকে ফিরে যেতে চায়। মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই ধর্ম ও প্রার্থনা ভালোবাসে। তারা আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যকে ভালোবাসে। মানুষ পরিবারের সদস্যদের ভালোবাসার বন্ধনকে ভালোবাসে। কিন্তু পাশ্চাত্যে এই মূল্যবোধগুলো খুবই দুর্বল হয়ে গেছে। এর কারণ, গত প্রায় ২০০ বছর ধরে পশ্চিমা সমাজ থেকে ধর্মকে উপেক্ষা করা হয়েছে। ফলে সেখানে এক ধরনের ধর্মহীন বা ধর্মের দিক-নির্দেশনাবিহীন স্যেকুলার সমাজ-ব্যবস্থা চালু হয়েছে।
কানাডার নওমুসলিম হানিফের মতে, পাশ্চাত্যে মানুষের বস্তুগত সব সম্পদই আছে। কিন্তু নেই সামাজিক নিরাপত্তা এবং আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সেখানকার নাগরিকদের নেই আত্মিক প্রশান্তি। পাশ্চাত্যের কেউ যদি নিজের পরিচিতিকে সত্যিকার অর্থে ব্যাখ্যা করতে চান তাহলে তিনি বলবেন যে শূন্যতাই আমার পরিচিতি। আর এ কারণেই পাশ্চাত্যে আত্মহত্যার হার এত বেশি বলে মনে করেন নওমুসলিম হানিফ।
তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, "একই কারণে তথা আধ্যাত্মিক শূন্যটার কারণে পাশ্চাত্যের কেউ আধ্যাত্মিক পথে অগ্রসর হতে চাইলে ইসলামের অনুপস্থিতির ফলে সৃষ্ট সঠিক দিক-নির্দেশনার অভাবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিচ্যুতির দিকে এগিয়ে যায়। যেমন, এমন অনেককে দেখেছি যে তারা এখন শয়তানের পূজারি হয়েছেন। আমি বিস্মিত হই এটা দেখে যে, অনেকেই পশ্চিমা জীবন-পদ্ধতির গুণ-কীর্তন করছেন। তারা মনে করেন, সেখানে স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু তারা জানেন না যে, এই স্বাধীনতার গোড়া কোথায়। এই স্বাধীনতার অর্থ হল ধর্ম থেকে দূরে থাকা।"
কানাডার নওমুসলিম হানিফ আরো বলà