সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


ইসলামি সংগীতে দেশ ও মুক্তিযুদ্ধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

islami_song

আতাউর রহমান খসরু: ইসলামি সংগীত বৃত্ত ভেঙ্গেছে বহুদিন হলো। এখন এগিয়ে যাওয়ার পালা। আসমানের উপর ও জমিনের নিচে আটকে নেই আর ইসলামি সংগীত। তাতে স্থান পেয়েছে মাটি, মানুষ, দেশ ও স্বাধীনতা। তরুণ প্রজন্মের সংগীত শিল্পীরা দেশ, মাটি ও মানবতার মাঝে তারা খুঁজে পান ঐশী ঐশ্বয। দেশপ্রেম ও স্বাধীনতা মূর্ত হয় তাদের সুরের মূর্ছনায়।

বিশুদ্ধ ইসলামি ধারার সংগীতে দেশ, মানুষ এবং সচেতনভাবে রাজনৈতিক উচ্চারণ প্রথম নিয়ে আসেন মরহুম আইনুদ্দীন আল আজাদ। তার সংগীতে দেশপ্রেম ধরা দিয়েছে প্রধানত প্রতিবাদের ভাষায়। যেমন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মানবতার কথা বলেছেন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরে। মরহুম আইনুদ্দীন আল আজাদ মাতৃভূমির ভালোবাসায় ব্যাকুল হয়ে বলেছিলেন, ‘ও আমার মাতৃভূমি নয়তো ‍তুমি জুলুমবাজির আড্ডাখানা...।’ একইভাবে গণমানুষের মুক্তিচিন্তা থেকেই তিনি ‘স্বাধীনতা চাই নি আমি এ স্বাধীনতা’ বলে আমার বিশ্বাস।

তার রেখে যাওয়া কলরব অবশ্য দেশের গানে আরও কোমল ও শৈল্পিক। তারা দেশ খুঁজেছে সবুজ শ্যামল বাংলার প্রকৃতিতে। যেমন তারা গেয়েছে,

ধানে ভরা গানে ভরা
আমার এই দেশ ভাই
এই ধরণীর মাঝে দেখো
এমন দেশ আর নেই
রূপে ভরা বাংলা আমার খোদার সেরা দান
সারাটা সময় গাইতে থাকি তারই গুণগান।

বরং তারা বাঙালি বা বাংলাদেশি পরিচয়ে এক পতাকা তলে এক জাতি হিসেবে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সকলে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির সাথে বসবাস এবং মাতৃভূমির জন্য কাজ করার কথা বলেছে। দেশের প্রয়োজনে নীরবতা ভেঙ্গে এক সাথে গর্জে ওঠার অঙ্গীকার করেছে। যেমন,

এক দেশ এক পতাকা
এক জাতি, আছে একতা
সময়ের প্রয়োজনে ভেঙ্গে নিরবতা
শান্তিতে সংগ্রামে গর্জে ওঠা

**
এক বন্ধনে সুখে দুঃখে কাটাবো
আনবো সোনালি প্রভাত
হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান
হাতে রেখে হাত।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধেও ঠিক এমনটিই হয়েছিলো। এদেশের মুসলমানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছিলো হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও প্রাকৃতিক ধর্মের অনুসারী উপজাতিরা। তাই বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে প্রচার সমাজে রয়েছে তারও প্রতিফলন ঘটেছে এ গানটিতে।

তবে স্বাধীনতার প্রশ্নে এখনো কলরবের বিক্ষুব্ধতা এখনো মিলিয়ে যায় নি। তারা সà