সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


টিভিতে ইসলামিক প্রোগ্রামগুলো সাধারণ মানুষকে ভালোর দিকে নিচ্ছে: মুফতি ইউসুফ সুলতান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি ইউসুফ সুলতান। আইটি ও মিডিয়া জগতে খ্যাতি ছড়ানো নাম। জামিয়া শরইয়্যাহ মালিবাগের সাবেক মুফতি। বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি অর্থনীতি বিষয়ে উচ্চতর গবেষণায় লিপ্ত আছেন। মিডিয়ায় আলেমদের কাজের বিষয়ে তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আবদুল্লাহ মাহমুদ

আলেমদের টিভি মিডিয়ায় আসার ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?

মিডিয়াকে আমি প্রয়োজন মনে করি। কারণ এটা বতর্মান সময়ে প্রচারের একটা বড় মাধ্যম। আমরা একে ব্যবহার না করলেও বাতিল ঠিকই ব্যবহার করছে। তবে তা প্রয়োজনের মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত, ঢালাওভাবে আসার সময় এখনও হয় নি। আর এখানে এসে নিজের পরিচয় ভুলে গেলে চলবে না। আমরা টিভিতে এসে সবাইকে টিভি দেখতে উৎসাহ দিতে চাই না। বরং যারা টিভি দেখছে, তাদের ইসলামিক প্রোগ্রাম উপহার দেয়ার জন্য এইসব অনুষ্ঠান।

হকপন্থী আলেমদের একসময় টিভিতে দেখা যেত না এখন আসছেন, কারণ কী?

এখনকার হকপন্থী প্রায় সব আলেমই মতামত দিচ্ছেন টিভিতে প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয়তার কথা। মোটাদাগে বলতে গেলে তেমন কেউ ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় ইসলামিক প্রোগ্রামের ব্যাপারে বিরোধী নন। তবে মুরুব্বিরা নিজেরা আসছেন না এর একটা কারণ হলো তাদের বিতর্কিত হওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিপক্ষের লোকরা বলতে শুরু করবে, এক সময় উনি টিভিতে প্রোগ্রামের ব্যাপারে নিষেধ করতেন আর এখন তিনি নিজেই যাচ্ছেন। এসব কারণে আমাদের মুরুব্বিরা নিজেরা আসছেন না এসবে।

টিভিতে প্রোগ্রাম নিয়ে কোনো সমস্যা অনুভব করেন কিনা?

সমস্যা তো কিছু আছেই। যেমন আমরা যেগুলো প্রোগ্রাম করি দর্শকরা মনে করেন এগুলো টিভি হাউজ থেকেই করা হচ্ছে কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। ইসলামিক প্রোগ্রামগুলো নির্মাতা নির্মাণ করে থাকেন চাঙ কিনে। আর প্রোগ্রামে যেসব প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করেন তারা তাদের মতো অনেক কিছুই দেখতে চান। অনেক সময় তারা আলোচকও নির্ধারণ করে দেন। এসব দিক থেকে একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে অনুষ্ঠানে। এছাড়া আমাদের যেসব ইসলামিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা এখনো ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বিজ্ঞাপনে আসেনি। আমাদের পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলো টিভি অনুষ্ঠান স্পন্সর করলে এ সমস্যà