
জঙ্গিবাদ ও উগ্রতা এখন বৈশ্বিক সমস্যা। পুরো পৃথিবীতে তার উত্থানও চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ তার বাইরে নয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সফল অভিযানে ব্যর্থ হয়েছে নাকশতার পরিকল্পনা। জঙ্গিবাদ ও উগ্রতার এ উত্থানে চিন্তিত দেশের সচেতন মহল। তারা জানতে চান এ উত্থানের কারণ ও ইতিহাস। অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে, ধর্মীয় শিক্ষাই নাকি দায়ী উগ্রতা উস্কে দেয়ার পেছনে আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা নিয়ে। দেশের চলমান এ ইস্যুতে কথা বলেছেন প্রাজ্ঞ আলেম ও শিক্ষাবিদ, গবেষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। কথোপকথনে তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ার ইসলামের বার্তা সম্পাদক আতাউর রহমান খসরু।
আওয়ার ইসলাম : ধর্মীয় উগ্রপন্থার উদ্ভব কোথা থেকে হয় এবং কেনো?
ড. আবুল কালাম আজাদ : রাসুল সা. এর ইন্তেকালের পর এবং হজরত খোলাফায়ে রাশেদিনের শাসন আমলের শেষভাগে মুসলিম বিশ্বে ধর্মীয় উগপন্থার উদ্ভব। ইসলামের ইতিহাসে প্রথম ধর্মীয় উগ্রতা দেখা যায় খারেজিদের মধ্যে। রাসুলুল্লাহ সা. এ খারেজিদের ব্যাপারে ভবিষ্যত বাণীও করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা হবে বয়সে তরুণ এবং বুদ্ধিতে পরিপক্ক। তাদের বাহ্যত তারা হবে অতি ধার্মিক। কিন্তু তাদের ঈমান তাদের কণ্ঠনালির নিচে প্রবেশ করবে না।’
খারেজিদের মধ্যে এসব বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। তারা অতি ধার্মিক ছিলো। তরবারির মাথায় কুরআন ঝুলিয়ে দাবি করেছিলো সিদ্ধান্ত একমাত্র আল্লাহর হবে। দৃশ্যত তারা ছিলো সমাজের সবচেয়ে মুত্তাকি। এমনকি হজরত আলি রা. এর হত্যাকারী আবদুর রহমান ইবনে মুলজিমকে যখন মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়, তখনও তার জবানে জিকির ছিলো। আলি রা. তাদের ব্যাপারে বলেছিলেন, তাদের কথা সত্য কিন্তু উদ্দেশ্য খারাপ। রাসুল সা. খারেজিদের মৃত্যু দণ্ডের কথা বলেছেন।
উগ্রপন্থা উদ্ভবের প্রধান কারণ ছিলো অমুসলিম ষড়যন্ত্র। অমুসলিমগণ যখন মুসলমানকে à