আওয়ার ইসলাম: ঘটনার সূত্রপাত গত ৭ই মার্চ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা এলাকায় একটি বাস থামায় পুলিশ। সাধারণত মহাসড়কে পুলিশ যেভাবে তল্লাশি পরিচালনা করে এটি ছিল তার একটি অংশ। কিন্তু বাস থামানোর সাথে সাথেই দু'জন তরুণ আকস্মিকভাবে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়ে মারে। কিন্তু সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। সে তরুণরা পালিয়ে যেতে চাইলে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের আটক করে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, তাদের দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক অভিযান চলে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মাহফুজুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেন, কুমিল্লার সে ঘটনা ছিল জঙ্গি-বিরোধী অভিযানের একটি টার্নিং পয়েন্ট বা মোড় ঘুরানো বিষয়।তিনি বলেন, ঢাকায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট গঠনের পর থেকে জঙ্গিদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের নেটওয়ার্কগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা শুরু হয়।
"আমরা ভাগ্যবান ছিলাম যে কুমিল্লায় হঠাৎ করে দুই জন জঙ্গি বাসে বোমা নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার হয়ে যায়," বলছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।
কর্মকর্তারা বলছেন, গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার পর ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকায় পুলিশের জঙ্গি-বিরোধী অভিযান জোরদার হয়। ফলে সন্দেহভাজনরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করে।
গত তিন সপ্তাহে সীতাকুণ্ড, সিলেটের আতিয়া মহল এবং মৌলভীবাজারের দু'টি বাড়িতে 'জঙ্গি বিরোধী অভিযানে' ১৪ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়েছে পুলিশ দাবী করছে। তাদের সাথে আরো পাঁচ শিশুও নিহত হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনজন সদস্যও নিহত হয়েছেন যাদের মধ্যে র্যাবের গোয়েন্দা প্রধানও আছেন।
পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কামরুল আহসান মনে করেন, এসব 'জঙ্গি আস্তানা' চিহ্নিত করা সম্ভব না হলে দেশে বড় ধরনের বিপদ হতে পারতো।
মি: আহসান বলেন, "আমাদের যে বিগত কয়েক