আতাউর রহমান খসরু : লক্ষ কওমি তরুণের অপেক্ষা অবসান ঘটিয়ে সনদের স্বীকৃতি আসছে ১১ এপ্রিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করবেন কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি । একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অাগামী মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আলেমদের সমাবেশে এই ঘোষণা করার কথা রয়েছে। তবে স্বীকৃতির রূপরেখা বা আইনি ভিত্তি কী হচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট বলতে পারছেন না কেউ।
স্বীকৃতির চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে কওমি ধারার শিক্ষা গবেষক আলেমদের মাঝে। তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আশা, আশঙ্কা ও সংশয়। দেশের শীর্ষ তিন আলেম শিক্ষাবিদের সাথে কথা বললে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তারা।
স্বীকৃতির চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেছিলাম, সমাজ বিশ্লেষক ও শিক্ষাবিদ মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী, শায়খ যাকারিয়া রহ. ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ ও মাদরাসাতুল হুদা প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা আবদুর রাজ্জাক নদভী-এর সঙ্গে।
কওমি সনদের স্বীকৃতির চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের খ্যাতিমান আলেম, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভি। প্রথমেই কাছে জানতে চেয়েছিলাম স্বীকৃতিকে কীভাবে দেখছেন? উত্তরে শিক্ষা গবেষক এ আলেম বলেন, দেখার তো সুযোগ পেলাম না। মূল্যায়ন করবো কীভাবে? বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত তো বলা যাচ্ছে না তা ছেলে, না মেয়ে বা হিজড়া। স্বীকৃতি হওয়ার পর বলা যাবে তা কেমন হলো। স্বীকৃতি আমাদের অনুকূলে হলো নাকি প্রতিকূলে হলো।
তাহলে শুধু স্বীকৃতিতে সন্তুষ্ট হতে পারছেন আপনি? না, কোনো কিছু না জেনে সন্তুষ্ট হবো কি করে? স্বীকৃতি যদি কওমি ধারার উলামা ও তোলাবার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়, তাহলে তো ভালো। আর যদি তাতে শুধু সরকারের নিয়ন্ত্রণই বাড়ে তাহলে স্বীকৃতি অভিশাপও হতে পারে।
অন্যদিকে স্বীকৃতিতেই আশঙ্কা আছে মাওলানা আবদুর রাজ্জাক নদভীর। তিনি বলেন, ‘আমাদের উলামাগণ বরাবর স্বীকৃতিতে অনীহা দেখিয়েছেন। স্বীকৃতির কিছু উপকার হয়তো আছে। কিন্তু আমাদের আগামী প্রজন্মের উপর তার à