সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতি একটি সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ: মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চলমান কওমী সনদের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ার রিসার্চ ফেলো, আধ্যাত্মিক সংগঠন-রিসালাতুল ইনসানিয়াহ বাংলাদেশের আমীর, বরেণ্য লেখক ও গবেষক মাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকীর সাক্ষাতকার নিয়েছেন আওয়ার ইসলাম টুয়েন্টিফোর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক রোকন রাইয়ান

আওয়ার ইসলাম : কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ ডিগ্রি দাওরায়ে হাদিসকে প্রধানমন্ত্রী মাস্টার্সের সমমান ঘোষণা করেছেন। এ বিষয়ে আপনার মুল্যায়ন বা মন্তব্য কী?

মাওলানা ফারুকী : আমার দৃষ্টিতে কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতি একটি সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এ জন্য আমি প্রথমেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট উলামায়ে কিরামকে অভিনন্দন জানাতে চাই। বর্তমান সরকার যেভাবেই হোক কওমি মাদরাসা নিয়ে ভাবছে। এটাকে মুল্যায়ন করার চেষ্টা করছে। এজন্য আমি সরকারকে সাধুবাদ জানাই।

আজকের এ অর্জনের পিছনে অনেক ত্যাগ ও কুরবানী রয়েছে। অনেক অশ্রু ও রক্ত ঝরেছে। আমি মনে করি আজকের এ সফলতা মুসলমানদের আধ্যাত্মিক রাহবার শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর দূরদর্শি ও আধ্যাত্মিক নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে। এজন্য আমি শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী দা. বা.-কে আন্তরিক মুবারকবাদ জানাই এবং তাঁর সুসাস্থ্য কামনা করছি।

আগে সাধারণ মানুষ বা শিক্ষিত সমাজ কওমি মাদরাসার শিক্ষাকে মূল্যায়ন করত না, বরং অবজ্ঞার চোখে দেখত। অনেকেই মনে করত কওমিপড়ুয়ারা সমাজের বোঝা। এমনকি ঠাট্টা-বিদ্রূপ পর্যন্ত করতো। এখন সে সুযোগটা তারা পাবে না। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার মাধ্যমে এই শিক্ষাব্যবস্থা স্বীকৃত হয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে যে কথাগুলো বলেছেন তা অনেক বড় স্বীকৃতি।

তিনি পরষ্কিার বলেছেন, আলেমদের পদধূলিতে গণভবন ধন্য হয়েছে। বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমরা এখানে এসেছেন। দীনি ইলম হলো মৌলিক শিক্ষা। এ শিক্ষা ছাড়া মানুষ পরিপূর্ণ হয় না। আমাদের শিক্ষার সূচনাতেই আছে কওমি মাদরাসা। বাংলাদেশে ১৪ হাজার কওমি মাদরাসা এবং ১৪ লাখ ছাত্র রয়েছে। বাং