উবায়দুল্লাহ সাআদ
প্রতিবেদক
অধ্যাপক শামসুদ্দীন। বয়স ৬৮। এই বয়সেও দীনি শিক্ষা অর্জনের জন্য ভর্তি হয়েছেন কওমি মাদরাসায়। এখন চলছে নাহবেমির (মধ্যম) শ্রেণির পরীক্ষা।
গত কয়েকদিন ধরেই তার পরীক্ষা দেয়ার একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ছবিটা প্রেরণা দিয়েছে হাজারও মানুষকে। কিন্তু মানুষটির পরিচয় ঠিকানা কিছুই জানা ছিল না। নানা জায়গায় ফোন করেও তেমন তথ্য পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত কওমি মাদরাস শিক্ষা বোর্ড (বেফাক) থেকে অনেক কাঠখড় পুলিয়ে অধ্যাপক শামসুদ্দীনের নাম্বার ও বাসার ঠিকানা পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছেন বেফাকের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা রফিকুল ইসলাম। ঠিকানা পেয়ে সেদিনই বিকেলে ছুটে যাই টঙ্গীতে তার বাসায়।
অধ্যাপক শামসুদ্দীন একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ এ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি শসস্ত্র যুদ্ধে শরিক হন। তিনি মেজর কেএম সফিউল্লাহর নেতৃত্বেই ৩নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত মাদরাসায় পড়াশোনার পর বাকিটা স্কুলেই। রাজশাহী ইউনিভার্সিটি থেকে কেমিস্ট্রিতে অনার্স করেছেন। এরপর ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে আইন শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষের সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন কর্মবীর মানুষটি।
কর্ম জীবনে তিনি একজন সফল শিক্ষক এবং ব্যাংকার, পারিবারিক জীবনে অধ্যাপক শামসুদ্দীন চার সন্তানের জনক জীবনের এই পড়ন্ত সময়ে তার বয়ষ যখন ৬৮ বছর তখন তিনি ভর্তি হয়েছেন কওমি মাদরাসায় এবং অংশগ্রহন করছেন ৪০ তম কেন্দ্রীয় বেফাক পরীক্ষায়। হঠ্যাৎ কওমিতে পড়তে আগ্রহী হলেন কেন? কওমি শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বীকৃতিসহ নানা বিষয়ে তিনি আলোচনা করেছেন আওয়ার ইসলামের সঙ্গে।
কেমন আছেন?
আলহামদুলিল্লাহ ।
আপনার নীজের সম্পর্কে বলুন?
আমার নাম শামসুদ্দীন। আমার জন্ম ১৯৪৯ সালে গাজীপুরের কালীগঞ্জে। প্রাথমিক শিক্ষা নিজ গ্রামে মাদরাসায় ক্লাশ ৮ থেকে স্কুলে, পরে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি à