আতাউর রহমান খসরু : সামনে জাতীয় নির্বাচন। প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বড় রাজনৈতিক দলগুলোতে। প্রচারণাও শুরু করেছে তারা। প্রতিদিনই পাল্টাচ্ছে রাজনীতির হিসেব। হচ্ছে নতুন জোট আবার ভাঙ্গছেও তা। জাতীয় নির্বাচনের এ উত্তাপ পড়তে শুরু করেছে ইসলামি ধারার রাজনৈতিক দলগুলোতেও। ইসলামি ধারার গুলো নিয়ে স্বতন্ত্র জোট গঠনের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গণে।
ভোটের রাজনীতিতে ইসলামি দলগুলো বরাবরই অন্যের ক্ষমতা লাভের নিয়ামক হয়েছে। তাই বড় দলগুলোতে বেড়েছে ইসলামি দলের কদর। দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসলামি ধারা রাজনৈতিক দলগুলোর সখ্যতা নতুন কিছু নয়। এবার আওয়ামী লীগের মাঝে সে প্রবণতা প্রবল হয়েছে বলে অভিযোগ তার মিত্র বাম দলগুলোর। তাদের দাবি ভোটের রাজনীতির কারণে দেয়া হয়েছে কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি এবং পাঠ্যপুস্তকের পরিবর্তন বিলোপ করা হয়েছে একই হিসেব থেকে।
বড় দলগুলোর আগ্রহ ও দেন-দরবারের কারণেই প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কী ইসলামি দলগুলো দেশের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে? ইসলামি দলগুলোর মধ্যে যারা জোটবদ্ধ হতে চাচ্ছেন তাদেরও দাবি দেশে তৃতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার লক্ষ্যেই গঠিত হবে তাদের রাজনৈতিক জোট।
ইসলামি দলগুলোর জোটবদ্ধ হওয়ার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন চট্টগ্রাম ওমর গণি এম ই এস কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘যে কোনো ঐক্য যে কোনো সংহতি প্রসংশার। ইসলামি দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে শুনে আমি অত্যন্ত খুশি। তবে আমি খুব আশাবাদী নয়। কেননা ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তা টেকে নি। জনগণ খুব বেশি সুফলও লাভ করে নি।’
যেখানে দেশের মূলধারার মিডিয়ায় ভোটের রাজনীতিতে ইসলামি দলগুলোর নানা সম্ভাবণার দিক তুলে ধরছেন, সেখানে তিনি হতাশ কেনো? অধ্যাপক খালিদ বলেন, ‘স্বাধীনতার পরবর্তী এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে আমি ইসলামি দলà